প্রিন্ট এর তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬
আশুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, আহত এএসপিসহ ১০ পুলিশ সদস্য
নিজস্ব প্রতিবেদক ||
তৈরি পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ, ব্ল্যাক লিস্টিং বন্ধসহ বিভিন্ন দাবিতে ঢাকার সাভার ও আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চল আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। কারখানার শ্রমিকরা কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ শুরু করলে একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও টিয়ারশেল ছোড়ার ঘটনা ঘটে। এতে পুলিশের ১০ সদস্য আহত হন।সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল থেকে সাভার ও আশুলিয়ার শিল্পকারখানাগুলোতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও সকাল ৯টার পর থেকে শ্রমিক অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়তে থাকে। নরসিংহপুর, জিরাবো, কাঠগড়া, ঘোষবাগ ও উলাইলসহ বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকদের বিক্ষোভের কারণে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হয়।প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এদিন সকালে নিউএইজ গ্রুপের কারখানার শ্রমিকরা কর্মবিরতি পালন শুরু করেন। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তারা কারখানা থেকে বের হয়ে ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে বিক্ষোভ করেন। পরে আশপাশের অন্য কারখানার সামনে গিয়ে শ্রমিকদের আন্দোলনে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তারা। এ পরিস্থিতিতে বেশ কয়েকটি কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা হা-মীম গ্রুপের কারখানার সামনে গিয়ে বিক্ষোভ করলে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। এরপর শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের থেমে থেমে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। শ্রমিকদের ছোড়া ইটের আঘাতে পুলিশের কমপক্ষে ১০ সদস্য আহত হন। এসময় পুলিশের পক্ষ থেকেও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়।সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আশুলিয়ার জিরাবো থেকে কাঠগড়া সড়কের পাশে বেঙ্গল প্লাস্টিক পাইপস লিমিটেডের সামনে ৪০০-৫০০ শ্রমিক বিক্ষোভ করেন। এসময় তারা কারখানা লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন এবং শ্রমিকদের বাইরে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান।পরে বিক্ষোভকারীরা জিরাবো থেকে কাঠগড়া সড়কের পাশের বিভিন্ন কারখানার সামনে গিয়ে বিক্ষোভ করেন। তাদের আন্দোলনে যোগ দিতে অন্য কারখানার শ্রমিকদেরও আহ্বান জানানো হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বেশ কয়েকটি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।জিরাবো এলাকার মিনি সাউদার্ন গার্মেন্টসের এক শ্রমিক বলেন, আমরা কাজ করছিলাম। আন্দোলনকারীরা আসার পর ছুটি দিয়ে দিয়েছে। কাঠগড়া পুকুরপাড় পর্যন্ত সব কারখানা ছুটি দিয়েছে। আমাদের পাশের ৬-৭টি কারখানাও বন্ধ হয়েছে। আমরা সুষ্ঠুভাবে চলে এসেছি।
সম্পাদক ও প্রকাশক- মুহাম্মদ হোছাইন চৌধুরী
কপিরাইট © ২০২৬ জাতীয় সাপ্তাহিক সময়ের প্রয়াস । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত