সাতক্ষীরা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রশিক্ষক (পালন) মো. আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হয়রানি, অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ এবং একাধিক কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ রয়েছে, নিজের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয় আড়াল করতে কেন্দ্রের ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর মো. মিজানুর রহমান, সিনিয়র প্রশিক্ষক দেবাশীষ সরকারসহ একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করেছেন আসাদুজ্জামান। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ আগস্ট যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কো-অর্ডিনেটর মো. মিজানুর রহমানের কক্ষে সভা চলাকালে প্রশিক্ষক আসাদুজ্জামান সিনিয়র প্রশিক্ষক দেবাশীষ সরকারকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। অন্য কর্মকর্তারা এর প্রতিবাদ করলে তাদের ওপরও চড়াও হন তিনি।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, বিভিন্ন অনিয়মের কারণে ২০২৫ সালে আসাদুজ্জামানকে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়েছিল। পরে বিভিন্নভাবে তদবির করে পুনরায় সাতক্ষীরায় যোগদান করেন তিনি। এরপর অফিসের কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার করতে না পেরে নতুন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তার বিরুদ্ধে নতুন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভয়ভীতি দেখানো, নারী সহকারীদের নিয়ে কটূক্তি ও অশালীন আচরণ, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করা, নিয়মিত অফিস না করা, অনুমতি ছাড়া অফিস ত্যাগ করা এবং কর্মকর্তাদের মারধরের জন্য বাইরের লোক ভাড়া করার অভিযোগও রয়েছে।
এছাড়া বিভিন্ন ব্যাচ পরিচালনার সময় মিথ্যা ভাউচার দেখিয়ে টাকা উত্তোলন, প্রশিক্ষণে অংশ না নেওয়া ব্যক্তিদের নামে টাকা উত্তোলন, প্রশিক্ষণার্থীদের জামানত আত্মসাৎ, সার্টিফিকেট ও ভাতা প্রদানের নামে অর্থ উত্তোলন এবং প্রশিক্ষণার্থীদের নামে অতিরিক্ত দামে পণ্য কেনার ভাউচার করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর মো. মিজানুর রহমান জানান, প্রশিক্ষক আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে মহাপরিচালক বরাবর অভিযোগ করা হয়েছে। তদন্তের পর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।
অভিযুক্ত আসাদুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ অবস্থায় সাতক্ষীরা যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ও বদলির দাবি জানিয়েছেন প্রশিক্ষণার্থীসহ স্থানীয় সচেতন মহল।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সাতক্ষীরা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রশিক্ষক (পালন) মো. আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হয়রানি, অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ এবং একাধিক কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ রয়েছে, নিজের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয় আড়াল করতে কেন্দ্রের ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর মো. মিজানুর রহমান, সিনিয়র প্রশিক্ষক দেবাশীষ সরকারসহ একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করেছেন আসাদুজ্জামান। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ আগস্ট যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কো-অর্ডিনেটর মো. মিজানুর রহমানের কক্ষে সভা চলাকালে প্রশিক্ষক আসাদুজ্জামান সিনিয়র প্রশিক্ষক দেবাশীষ সরকারকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। অন্য কর্মকর্তারা এর প্রতিবাদ করলে তাদের ওপরও চড়াও হন তিনি।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, বিভিন্ন অনিয়মের কারণে ২০২৫ সালে আসাদুজ্জামানকে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়েছিল। পরে বিভিন্নভাবে তদবির করে পুনরায় সাতক্ষীরায় যোগদান করেন তিনি। এরপর অফিসের কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার করতে না পেরে নতুন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তার বিরুদ্ধে নতুন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভয়ভীতি দেখানো, নারী সহকারীদের নিয়ে কটূক্তি ও অশালীন আচরণ, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করা, নিয়মিত অফিস না করা, অনুমতি ছাড়া অফিস ত্যাগ করা এবং কর্মকর্তাদের মারধরের জন্য বাইরের লোক ভাড়া করার অভিযোগও রয়েছে।
এছাড়া বিভিন্ন ব্যাচ পরিচালনার সময় মিথ্যা ভাউচার দেখিয়ে টাকা উত্তোলন, প্রশিক্ষণে অংশ না নেওয়া ব্যক্তিদের নামে টাকা উত্তোলন, প্রশিক্ষণার্থীদের জামানত আত্মসাৎ, সার্টিফিকেট ও ভাতা প্রদানের নামে অর্থ উত্তোলন এবং প্রশিক্ষণার্থীদের নামে অতিরিক্ত দামে পণ্য কেনার ভাউচার করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর মো. মিজানুর রহমান জানান, প্রশিক্ষক আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে মহাপরিচালক বরাবর অভিযোগ করা হয়েছে। তদন্তের পর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।
অভিযুক্ত আসাদুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ অবস্থায় সাতক্ষীরা যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ও বদলির দাবি জানিয়েছেন প্রশিক্ষণার্থীসহ স্থানীয় সচেতন মহল।

আপনার মতামত লিখুন