কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের কসাইপাড়া এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত টানা আড়াই ঘণ্টা ধরে পরিচালিত এ অভিযানে ৪১ পিস ইয়াবাসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। অভিযানে পুলিশের ৫০ জনের বেশি সদস্য অংশ নেন।
আটক ব্যক্তিরা হলেন কাছারীমুড়া এলাকার সোনা মিয়ার ছেলে সেলিম (২৫) এবং মৃত আমিনুল হকের ছেলে মো. রমিজ (৪৫)।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান ও তদন্ত কর্মকর্তা ইমরুল হাসানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে কসাইপাড়া এলাকার বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালানো হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শিলখালীর কসাইপাড়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক বেচাকেনা ও সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে এলাকাটি মাদক ব্যবসার অন্যতম ঘাঁটি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। মাদককেন্দ্রিক কর্মকাণ্ডের কারণে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে তাদের মধ্যে।
পুলিশের অভিযান শুরু হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। তবে অভিযান পরিচালনার বিষয়টি টের পেয়ে কয়েকজন কথিত মাদক কারবারি কৌশলে সটকে পড়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি।
স্থানীয়রা জানান, মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হলে মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিরও উন্নতি হবে। এতে স্বস্তি ফিরবে এলাকাবাসীর মধ্যে।
পেকুয়া থানার ওসি মেহেদী হাসান অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযানে ৪১ পিস ইয়াবাসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা রুজু করা হবে। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের কসাইপাড়া এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত টানা আড়াই ঘণ্টা ধরে পরিচালিত এ অভিযানে ৪১ পিস ইয়াবাসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। অভিযানে পুলিশের ৫০ জনের বেশি সদস্য অংশ নেন।
আটক ব্যক্তিরা হলেন কাছারীমুড়া এলাকার সোনা মিয়ার ছেলে সেলিম (২৫) এবং মৃত আমিনুল হকের ছেলে মো. রমিজ (৪৫)।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান ও তদন্ত কর্মকর্তা ইমরুল হাসানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে কসাইপাড়া এলাকার বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালানো হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শিলখালীর কসাইপাড়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক বেচাকেনা ও সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে এলাকাটি মাদক ব্যবসার অন্যতম ঘাঁটি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। মাদককেন্দ্রিক কর্মকাণ্ডের কারণে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে তাদের মধ্যে।
পুলিশের অভিযান শুরু হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। তবে অভিযান পরিচালনার বিষয়টি টের পেয়ে কয়েকজন কথিত মাদক কারবারি কৌশলে সটকে পড়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি।
স্থানীয়রা জানান, মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হলে মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিরও উন্নতি হবে। এতে স্বস্তি ফিরবে এলাকাবাসীর মধ্যে।
পেকুয়া থানার ওসি মেহেদী হাসান অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযানে ৪১ পিস ইয়াবাসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা রুজু করা হবে। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন