কক্সবাজার সদর থানার মামলা নং-১২, তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গত ২৬ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত কক্সবাজার সদর থানাধীন সীগাল হোটেল, সাম্পান, কক্স টুডে হোটেলসহ বিভিন্ন হোটেল ও রিসোর্টে একটি প্রতারক চক্র পুলিশ পরিচয়ে যায়। তারা হোটেল কর্তৃপক্ষকে বিভিন্ন স্থানে পুলিশ বক্স স্থাপন করা হবে বলে জানিয়ে টাকা আত্মসাৎ করে।
গ্রেফতারকৃত জিয়াবুল হক (৩২) চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া এলাকার বাসিন্দা। তার পিতার নাম আকতার কামাল এবং মাতার নাম সিরাজ খাতুন। বর্তমানে তিনি কক্সবাজার পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের সৈকতপাড়ায় বসবাস করেন। সেখানে ‘আবরার এন্টারপ্রাইজ’ নামে তার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে মোবাইল ব্যাংকিং ও মোবাইল এক্সেসরিজের ব্যবসা পরিচালনা করা হয়।
পুলিশের অভিযানে তার কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত তিনটি চেকবই জব্দ করা হয়েছে। চেকবইগুলো তিনটি পৃথক ব্যাংক হিসাবের বলে জানা গেছে। এছাড়া প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ১০টি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কক্সবাজার সদর থানার মামলা নং-১২, তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গত ২৬ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত কক্সবাজার সদর থানাধীন সীগাল হোটেল, সাম্পান, কক্স টুডে হোটেলসহ বিভিন্ন হোটেল ও রিসোর্টে একটি প্রতারক চক্র পুলিশ পরিচয়ে যায়। তারা হোটেল কর্তৃপক্ষকে বিভিন্ন স্থানে পুলিশ বক্স স্থাপন করা হবে বলে জানিয়ে টাকা আত্মসাৎ করে।
গ্রেফতারকৃত জিয়াবুল হক (৩২) চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া এলাকার বাসিন্দা। তার পিতার নাম আকতার কামাল এবং মাতার নাম সিরাজ খাতুন। বর্তমানে তিনি কক্সবাজার পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের সৈকতপাড়ায় বসবাস করেন। সেখানে ‘আবরার এন্টারপ্রাইজ’ নামে তার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে মোবাইল ব্যাংকিং ও মোবাইল এক্সেসরিজের ব্যবসা পরিচালনা করা হয়।
পুলিশের অভিযানে তার কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত তিনটি চেকবই জব্দ করা হয়েছে। চেকবইগুলো তিনটি পৃথক ব্যাংক হিসাবের বলে জানা গেছে। এছাড়া প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ১০টি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

আপনার মতামত লিখুন