কক্সবাজারে পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের মামলায় রেজুয়ান (২৩) নামে এক রোহিঙ্গা যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার কক্সবাজারের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে কড়া নিরাপত্তায় কক্সবাজার জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার নথি ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৫ জুলাই উখিয়ার একটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মুক্তি লার্নিং সেন্টারে ঘটনাটি ঘটে। ভুক্তভোগী পাঁচ বছরের শিশু ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। আর রেজুয়ান সেখানে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন।
এজাহারে বলা হয়, ওই দিন দুপুরে ক্লাস শেষে অন্য শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা চলে যাওয়ার পর রেজুয়ান শিশুটিকে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে সেখানে আটকে রাখেন। পরে বিভিন্ন কৌশলে শিশুটিকে ফাঁকা স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়।
ঘটনার পর শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় মামলা করা হয়। তদন্ত শেষে পুলিশ রেজুয়ানের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
মামলার বিচারকাজে নয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণ ও যুক্তিতর্ক শেষে আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে সিদ্ধান্ত দেন। এরপর তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সাজাপ্রাপ্ত রেজুয়ান উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের তাজনিমারখোলা এলাকার ১৩ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা। তার বাবার নাম হাবিব উল্লাহ এবং মায়ের নাম রেহেনা বেগম।
শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ছলিমুল মোস্তফা বলেন, মামলাটি শিশু আদালতে আসার পর অল্প সময়ের মধ্যে নয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। এ রায়ে বাদীপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছে।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
কক্সবাজারে পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের মামলায় রেজুয়ান (২৩) নামে এক রোহিঙ্গা যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার কক্সবাজারের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে কড়া নিরাপত্তায় কক্সবাজার জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার নথি ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৫ জুলাই উখিয়ার একটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মুক্তি লার্নিং সেন্টারে ঘটনাটি ঘটে। ভুক্তভোগী পাঁচ বছরের শিশু ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। আর রেজুয়ান সেখানে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন।
এজাহারে বলা হয়, ওই দিন দুপুরে ক্লাস শেষে অন্য শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা চলে যাওয়ার পর রেজুয়ান শিশুটিকে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে সেখানে আটকে রাখেন। পরে বিভিন্ন কৌশলে শিশুটিকে ফাঁকা স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়।
ঘটনার পর শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় মামলা করা হয়। তদন্ত শেষে পুলিশ রেজুয়ানের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
মামলার বিচারকাজে নয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণ ও যুক্তিতর্ক শেষে আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে সিদ্ধান্ত দেন। এরপর তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সাজাপ্রাপ্ত রেজুয়ান উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের তাজনিমারখোলা এলাকার ১৩ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা। তার বাবার নাম হাবিব উল্লাহ এবং মায়ের নাম রেহেনা বেগম।
শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ছলিমুল মোস্তফা বলেন, মামলাটি শিশু আদালতে আসার পর অল্প সময়ের মধ্যে নয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। এ রায়ে বাদীপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন