কোচ
জর্জে জেসুসের সঙ্গে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর বিভেদটা আরও আগে থেকেই
স্পষ্ট। দলের প্রয়োজনে অনুযায়ী
এই তারকাকে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন পর্তুগালের
কোচ। তবে তা পছন্দ
হয়নি সিআরসেভেনের। রাগ দেখিয়ে তার
জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে
যাওয়ার ঘটনা বেশ আলোচিত।
ওই ঘটনায় রোনালদোর সমালোচনা করতে গিয়ে কিংবদন্তি
পেলে-ম্যারাডোনার প্রসঙ্গ টেনেছেন সাবেক পর্তুগিজ তারকা অ্যান্তোনিও সিমোয়েস।
বেনফিকার
কিংবদন্তি স্ট্রাইকার এবং ১৯৬৬ বিশ্বকাপে
ইউসেবিওর সতীর্থ সিমোয়েস রোনালদোকে আবার জাতীয় দলে
দেখতে চান। তবে তার
মতে, দলের প্রতি আরও
বেশি দায়িত্বশীল ও সমন্বিত মানসিকতা
দেখাতে হবে এই তারকাকে।
কারণ কখনও কখনও রোনালদোকে
এমন মনে হয় যে
তিনি ‘আত্মকেন্দ্রিক এবং শুধু নিজের
কথাই ভাবছেন’ব্রাজিল কিংবদন্তি পেলের সঙ্গে পর্তুগালের স্ট্রাইকার অ্যান্তনিও সিমোয়েস
মেসির
মতো সিআরসেভেনকে সম্মানজনক বিদায় জানাতে বললেন সিমোয়েস। একইসঙ্গে পেলে-ম্যারাডোনার প্রসঙ্গ
টেনে এমন বিব্রতকর পরিস্থিতি
এড়ানোরও আহবান সাবেক এই তারকার, ‘দেখুন,
মেসি কীভাবে তার ক্যারিয়ার শেষ
করছেন। ক্রিশ্চিয়ানোকে একইভাবে তার ক্যারিয়ার শেষ
করতে হবে। দেশের প্রতি,
ক্রিস্টিয়ানোর প্রতি এবং (কোচ) জেসুসের
প্রতি এটাই আমার প্রস্তাব।
এটা করুন, এতে লজ্জা পাওয়ার
কিছু নেই। আমাদের সবারই
একটা সময় শেষ হয়ে
আসে। আমি ইউসেবিও নামের
এক রাজার সঙ্গে খেলেছি, পেলের মতো এক রাজার
সঙ্গে সময় কাটিয়েছি, ম্যারাডোনা
এবং আরও অনেকের সঙ্গে
থেকেছি। কিন্তু কোনো রাজাকে ঘিরে
এমন কিছু আমি কখনও
দেখিনি।’
ফিফা
সদ্য সমাপ্ত আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে উয়েফা নেশন্স লিগের ম্যাচ চলাকালে পর্তুগালের প্রধান কোচ জেসুসের সঙ্গে
মতবিরোধের জেরে জাতীয় দলের
ক্যাম্প ছেড়ে যান রোনালদো।
পরে নিজের আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ
করে তিনি জানান, শাস্তি
হলে তা মেনে নেবেন।
তবে একইসঙ্গে স্পষ্ট করেন, কোচের সঙ্গে তার মতবিরোধ রয়েছে
এবং জেসুস তার ‘কথা রাখেননি’
বলেও অভিযোগ তোলেন।
হবে।
তার প্রধান ও প্রাথমিক লক্ষ্য
হলো ১০০০ গোল করা।
এরপর আসে খেলা, বল,
দেশ এবং মানুষ। সে
কিছুদিন ধরেই এটি দেখিয়েছে
এবং এখন বিষয়টি পরিষ্কার
যে সে জাতীয় দলের
চেয়ে ব্যক্তিগত স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেয়।’

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
কোচ
জর্জে জেসুসের সঙ্গে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর বিভেদটা আরও আগে থেকেই
স্পষ্ট। দলের প্রয়োজনে অনুযায়ী
এই তারকাকে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন পর্তুগালের
কোচ। তবে তা পছন্দ
হয়নি সিআরসেভেনের। রাগ দেখিয়ে তার
জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে
যাওয়ার ঘটনা বেশ আলোচিত।
ওই ঘটনায় রোনালদোর সমালোচনা করতে গিয়ে কিংবদন্তি
পেলে-ম্যারাডোনার প্রসঙ্গ টেনেছেন সাবেক পর্তুগিজ তারকা অ্যান্তোনিও সিমোয়েস।
বেনফিকার
কিংবদন্তি স্ট্রাইকার এবং ১৯৬৬ বিশ্বকাপে
ইউসেবিওর সতীর্থ সিমোয়েস রোনালদোকে আবার জাতীয় দলে
দেখতে চান। তবে তার
মতে, দলের প্রতি আরও
বেশি দায়িত্বশীল ও সমন্বিত মানসিকতা
দেখাতে হবে এই তারকাকে।
কারণ কখনও কখনও রোনালদোকে
এমন মনে হয় যে
তিনি ‘আত্মকেন্দ্রিক এবং শুধু নিজের
কথাই ভাবছেন’ব্রাজিল কিংবদন্তি পেলের সঙ্গে পর্তুগালের স্ট্রাইকার অ্যান্তনিও সিমোয়েস
মেসির
মতো সিআরসেভেনকে সম্মানজনক বিদায় জানাতে বললেন সিমোয়েস। একইসঙ্গে পেলে-ম্যারাডোনার প্রসঙ্গ
টেনে এমন বিব্রতকর পরিস্থিতি
এড়ানোরও আহবান সাবেক এই তারকার, ‘দেখুন,
মেসি কীভাবে তার ক্যারিয়ার শেষ
করছেন। ক্রিশ্চিয়ানোকে একইভাবে তার ক্যারিয়ার শেষ
করতে হবে। দেশের প্রতি,
ক্রিস্টিয়ানোর প্রতি এবং (কোচ) জেসুসের
প্রতি এটাই আমার প্রস্তাব।
এটা করুন, এতে লজ্জা পাওয়ার
কিছু নেই। আমাদের সবারই
একটা সময় শেষ হয়ে
আসে। আমি ইউসেবিও নামের
এক রাজার সঙ্গে খেলেছি, পেলের মতো এক রাজার
সঙ্গে সময় কাটিয়েছি, ম্যারাডোনা
এবং আরও অনেকের সঙ্গে
থেকেছি। কিন্তু কোনো রাজাকে ঘিরে
এমন কিছু আমি কখনও
দেখিনি।’
ফিফা
সদ্য সমাপ্ত আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে উয়েফা নেশন্স লিগের ম্যাচ চলাকালে পর্তুগালের প্রধান কোচ জেসুসের সঙ্গে
মতবিরোধের জেরে জাতীয় দলের
ক্যাম্প ছেড়ে যান রোনালদো।
পরে নিজের আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ
করে তিনি জানান, শাস্তি
হলে তা মেনে নেবেন।
তবে একইসঙ্গে স্পষ্ট করেন, কোচের সঙ্গে তার মতবিরোধ রয়েছে
এবং জেসুস তার ‘কথা রাখেননি’
বলেও অভিযোগ তোলেন।
হবে।
তার প্রধান ও প্রাথমিক লক্ষ্য
হলো ১০০০ গোল করা।
এরপর আসে খেলা, বল,
দেশ এবং মানুষ। সে
কিছুদিন ধরেই এটি দেখিয়েছে
এবং এখন বিষয়টি পরিষ্কার
যে সে জাতীয় দলের
চেয়ে ব্যক্তিগত স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেয়।’

আপনার মতামত লিখুন