কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নে নুরুচ্ছ সোলতান (১৮) নামে এক তরুণের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ইউনিয়নের শুদ্ধখালী এলাকায় বাড়ির পাশের সড়কের ধারে একটি গাছ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত নুরুচ্ছ সোলতান মগনামা ইউনিয়নের শুদ্ধখালী এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে নজরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি বাড়ি ফেরার পথে সড়কের পাশের একটি গাছে তরুণের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। এ সময় ভয়ে তিনি পাশের একটি বাড়িতে গিয়ে লোকজনকে বিষয়টি জানান। পরে স্থানীয় লোকজন কাছে গিয়ে মরদেহটি নুরুচ্ছ সোলতানের বলে শনাক্ত করেন। খবর পেয়ে তাঁর মা-বাবা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে পুলিশ স্থানীয়দের সহযোগিতায় মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের বাবা নুরুল ইসলাম জানান, শুক্রবার রাত ১১টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে তাঁর ছেলে বাড়ি থেকে বের হন। এত রাতে বের হওয়ার কারণ জানতে চাইলে নুরুচ্ছ সোলতান তাঁকে জানান, মানিক নামে এক বন্ধু মুঠোফোনে ডেকেছেন। এ কথা বলে তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। পরে রাত দেড়টার দিকে স্থানীয় লোকজন এসে তাঁর ছেলের মরদেহ গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়ার খবর দেন।
নুরুল ইসলামের দাবি, তাঁর ছেলে আত্মহত্যা করতে পারেন না। তাঁকে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে সন্দেহ করছেন তিনি। তবে তাঁর এ দাবির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় কয়েকজনের ভাষ্য, নুরুচ্ছ সোলতানের সঙ্গে এক নারীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তাঁরা প্রায়ই মুঠোফোনে কথা বলতেন। ঘটনার দিনও তাঁদের মধ্যে কথা হয়েছিল বলে স্থানীয়রা দাবি করেন। তবে এ সম্পর্কের সঙ্গে তরুণের মৃত্যুর কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুস চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে তিনি স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, তরুণের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে সুষ্ঠু তদন্ত প্রয়োজন। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে গেছে।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যার বিষয়টি ধারণা করা হচ্ছে। তরুণের সঙ্গে এক নারীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলেও শোনা গেছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নে নুরুচ্ছ সোলতান (১৮) নামে এক তরুণের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ইউনিয়নের শুদ্ধখালী এলাকায় বাড়ির পাশের সড়কের ধারে একটি গাছ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত নুরুচ্ছ সোলতান মগনামা ইউনিয়নের শুদ্ধখালী এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে নজরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি বাড়ি ফেরার পথে সড়কের পাশের একটি গাছে তরুণের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। এ সময় ভয়ে তিনি পাশের একটি বাড়িতে গিয়ে লোকজনকে বিষয়টি জানান। পরে স্থানীয় লোকজন কাছে গিয়ে মরদেহটি নুরুচ্ছ সোলতানের বলে শনাক্ত করেন। খবর পেয়ে তাঁর মা-বাবা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে পুলিশ স্থানীয়দের সহযোগিতায় মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের বাবা নুরুল ইসলাম জানান, শুক্রবার রাত ১১টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে তাঁর ছেলে বাড়ি থেকে বের হন। এত রাতে বের হওয়ার কারণ জানতে চাইলে নুরুচ্ছ সোলতান তাঁকে জানান, মানিক নামে এক বন্ধু মুঠোফোনে ডেকেছেন। এ কথা বলে তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। পরে রাত দেড়টার দিকে স্থানীয় লোকজন এসে তাঁর ছেলের মরদেহ গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়ার খবর দেন।
নুরুল ইসলামের দাবি, তাঁর ছেলে আত্মহত্যা করতে পারেন না। তাঁকে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে সন্দেহ করছেন তিনি। তবে তাঁর এ দাবির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় কয়েকজনের ভাষ্য, নুরুচ্ছ সোলতানের সঙ্গে এক নারীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তাঁরা প্রায়ই মুঠোফোনে কথা বলতেন। ঘটনার দিনও তাঁদের মধ্যে কথা হয়েছিল বলে স্থানীয়রা দাবি করেন। তবে এ সম্পর্কের সঙ্গে তরুণের মৃত্যুর কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুস চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে তিনি স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, তরুণের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে সুষ্ঠু তদন্ত প্রয়োজন। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে গেছে।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যার বিষয়টি ধারণা করা হচ্ছে। তরুণের সঙ্গে এক নারীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলেও শোনা গেছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন