আজিমপুর সরকারি কলোনি থেকে শিক্ষার্থীদের উচ্ছেদের সিদ্ধান্তকে অমানবিক ও অযৌক্তিক আখ্যা দিয়ে তা স্থগিতের দাবি জানিয়েছে জাতীয় ছাত্রসভা। এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে তিন দফা দাবি তুলে ধরেছে সংগঠনটি।
রোববার বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান সংগঠনটির সংগঠক রেজওয়ান আহমেদ রেফাত। এর আগে একই দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবর স্মারকলিপি দেয় সংগঠনটি।
সংবাদ সম্মেলনে রেজওয়ান আহমেদ রেফাত বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থী আবাসনসংকটের কারণে ক্যাম্পাস-সংলগ্ন বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় সাবলেট নিয়ে থাকতে বাধ্য হন।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, দীর্ঘ পূজার ছুটি শেষে ১ নভেম্বর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে ক্লাস ও পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। এমন সময়ে আবাসন হারিয়ে শিক্ষার্থীরা চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন। বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য স্বল্প সময়ে নিরাপদ আবাসন খুঁজে পাওয়া কঠিন। ফলে বিষয়টি শুধু আবাসনসংকটের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও শিক্ষার অধিকারও জড়িত।
বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের অভিভাবক হিসেবে এ সংকটের দায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এড়াতে পারে না। তাই দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে শিক্ষার্থীদের আবাসনসংকট নিরসনে প্রশাসনকে এগিয়ে আসতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় ছাত্রসভার পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো: মানবিক বিবেচনায় শিক্ষার্থীদের বাসা ছাড়ার জন্য ন্যূনতম এক মাস সময় দিতে হবে এবং এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবিলম্বে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে; এ সময়ের মধ্যে নারী শিক্ষার্থীদের কোনো ধরনের হয়রানি, চাপ প্রয়োগ বা জোরপূর্বক উচ্ছেদ করা যাবে না এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে; আবাসনসংকটের স্থায়ী সমাধানে প্রস্তাবিত হল নির্মাণের কাজ দ্রুত শুরু করতে হবে।

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
আজিমপুর সরকারি কলোনি থেকে শিক্ষার্থীদের উচ্ছেদের সিদ্ধান্তকে অমানবিক ও অযৌক্তিক আখ্যা দিয়ে তা স্থগিতের দাবি জানিয়েছে জাতীয় ছাত্রসভা। এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে তিন দফা দাবি তুলে ধরেছে সংগঠনটি।
রোববার বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান সংগঠনটির সংগঠক রেজওয়ান আহমেদ রেফাত। এর আগে একই দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবর স্মারকলিপি দেয় সংগঠনটি।
সংবাদ সম্মেলনে রেজওয়ান আহমেদ রেফাত বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থী আবাসনসংকটের কারণে ক্যাম্পাস-সংলগ্ন বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় সাবলেট নিয়ে থাকতে বাধ্য হন।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, দীর্ঘ পূজার ছুটি শেষে ১ নভেম্বর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে ক্লাস ও পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। এমন সময়ে আবাসন হারিয়ে শিক্ষার্থীরা চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন। বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য স্বল্প সময়ে নিরাপদ আবাসন খুঁজে পাওয়া কঠিন। ফলে বিষয়টি শুধু আবাসনসংকটের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও শিক্ষার অধিকারও জড়িত।
বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের অভিভাবক হিসেবে এ সংকটের দায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এড়াতে পারে না। তাই দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে শিক্ষার্থীদের আবাসনসংকট নিরসনে প্রশাসনকে এগিয়ে আসতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় ছাত্রসভার পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো: মানবিক বিবেচনায় শিক্ষার্থীদের বাসা ছাড়ার জন্য ন্যূনতম এক মাস সময় দিতে হবে এবং এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবিলম্বে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে; এ সময়ের মধ্যে নারী শিক্ষার্থীদের কোনো ধরনের হয়রানি, চাপ প্রয়োগ বা জোরপূর্বক উচ্ছেদ করা যাবে না এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে; আবাসনসংকটের স্থায়ী সমাধানে প্রস্তাবিত হল নির্মাণের কাজ দ্রুত শুরু করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন