কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী সাঁড়াশি অভিযানে ৩৮৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। জেলার ১৮টি থানায় একযোগে এ অভিযানে অংশ নেয় জেলা পুলিশের সব ইউনিট ও গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান এসব তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে সোমবার অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।পুলিশ জানায়, জেলার ১৮টি থানায় একযোগে অভিযান চালিয়ে ৩৮৫ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে গার্মেন্টস শ্রমিকদের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে উসকানিদাতা মাসুদ রানাকে (২৬) শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পোস্ট করে শ্রমিকদের আন্দোলনে উসকানি দিচ্ছিলেন, তাকেও আটক করা হয়েছে।এছাড়া জেলার বিভিন্ন থানা এলাকা এবং কুমিল্লা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে শিল্প-কারখানায় বিশৃঙ্খলার উসকানিদাতা, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্য এবং কিশোর গ্যাংবিরোধী সাঁড়াশি অভিযানে মোট ৩৮৫ জনকে আটক করা হয়।অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান বলেন, আটকদের মধ্যে যাদের অপরাধের রেকর্ড রয়েছে কিংবা মামলার আসামি তাদের আদালতে তোলার প্রক্রিয়া চলছে। বাকিদের পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হবে মুচলেকা রেখে।
তিনি আরও বলেন, উঠতি বয়সী কিশোররা যেন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে না পারে, সেজন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নিয়মিতই এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কিশোরদের পড়ার টেবিলে ফেরাতে এবং নিরাপদ নগরী গড়তে আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। এই ক্ষেত্রে কোনো নিরপরাধ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হয়, এ বিষয়ে কঠোর পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী সাঁড়াশি অভিযানে ৩৮৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। জেলার ১৮টি থানায় একযোগে এ অভিযানে অংশ নেয় জেলা পুলিশের সব ইউনিট ও গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান এসব তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে সোমবার অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।পুলিশ জানায়, জেলার ১৮টি থানায় একযোগে অভিযান চালিয়ে ৩৮৫ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে গার্মেন্টস শ্রমিকদের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে উসকানিদাতা মাসুদ রানাকে (২৬) শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পোস্ট করে শ্রমিকদের আন্দোলনে উসকানি দিচ্ছিলেন, তাকেও আটক করা হয়েছে।এছাড়া জেলার বিভিন্ন থানা এলাকা এবং কুমিল্লা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে শিল্প-কারখানায় বিশৃঙ্খলার উসকানিদাতা, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্য এবং কিশোর গ্যাংবিরোধী সাঁড়াশি অভিযানে মোট ৩৮৫ জনকে আটক করা হয়।অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান বলেন, আটকদের মধ্যে যাদের অপরাধের রেকর্ড রয়েছে কিংবা মামলার আসামি তাদের আদালতে তোলার প্রক্রিয়া চলছে। বাকিদের পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হবে মুচলেকা রেখে।
তিনি আরও বলেন, উঠতি বয়সী কিশোররা যেন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে না পারে, সেজন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নিয়মিতই এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কিশোরদের পড়ার টেবিলে ফেরাতে এবং নিরাপদ নগরী গড়তে আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। এই ক্ষেত্রে কোনো নিরপরাধ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হয়, এ বিষয়ে কঠোর পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন