রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় সার ডিলার নিয়োগকে কেন্দ্র করে স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে নিয়োগ পাওয়া একাধিক সার ডিলারের সঙ্গে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাদের পারিবারিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে বলে জানা গেছে। কোথাও ডিলারশিপ পেয়েছেন বিএনপি নেতার স্ত্রী, কোথাও ভাই, ছেলে বা আত্মীয়স্বজন। আবার কয়েকজন ডিলার নিজেই বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের পদে রয়েছেন।
সার ডিলার নিয়োগের বিষয়ে রংপুর-১ আসনের এমপি রায়হান সিরাজীর কাছে জানতে চাইলে তিনি ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নয়, সার ডিলার নিয়োগে ‘সবার আগে বিএনপি’ প্রমাণিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন। তিনি আরো বলেন যে রংপুর জেলার সার ডিলারের ক্ষেত্রে যেটি ঘটেছে তা বানরের পিঠা ভাগের মতো হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বেতগাড়ী, কোলকোন্দ, বড়বিল, গঙ্গাচড়া সদর, লক্ষ্মীটারী, গজঘণ্টা, মর্নেয়া, আলমবিদিতর ও নোহালী ইউনিয়নের কয়েকটি সার ডিলারশিপের মালিকদের সঙ্গে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের এমন সম্পর্কের তথ্য সামনে এসেছে। এ নিয়ে সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
যাঁদের নাম আলোচনায়,
বেতগাড়ী ইউনিয়নের ‘মেসার্স মাহি ট্রেডার্স’-এর স্বত্বাধিকারী রুহুল কুদ্দুস। তাঁর বাড়ি কিশামত শেরপুর এলাকায়। তিনি বেতগাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিপন মিয়ার ছোট ভাই। প্রতিষ্ঠানটির ‘মাহি’ নামটি তাঁর ছেলের নাম থেকে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।
কোলকোন্দ ইউনিয়নের কুড়িবিশ্বা এলাকার ‘এম এম ট্রেডার্স’-এর স্বত্বাধিকারী মো. গোলাম রব্বানী। তিনি উপজেলা বিএনপির দায়িত্বপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক। নিজের নামেই তিনি সার ডিলারশিপ পেয়েছেন বলে প্রাপ্ত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।
বড়বিল ইউনিয়নের ‘রাহি এন্ড রাদ এন্টারপ্রাইজ’-এর স্বত্বাধিকারী মোছা. রুজিনা। তিনি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলীর স্ত্রী। তাঁদের দুই ছেলের নাম রাহি ও রাদ, যা প্রতিষ্ঠানের নামের সঙ্গে মিল রয়েছে।
গঙ্গাচড়া সদর ইউনিয়নের ভুটকা এলাকার ‘মেসার্স মা এন্টারপ্রাইজ’-এর স্বত্বাধিকারী মোছা. মোসলেমা বেগম। তিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতি চাঁদ সরকারের স্ত্রী।
লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের মহিপুর এলাকার ‘তিস্তা করপোরেশন’-এর স্বত্বাধিকারী মোছা. জহুরা বেগম। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি বিএনপির সাবেক নেতা ওয়াহেদুজ্জামান মাবুর স্ত্রী এবং জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শরীফ নেওয়াজ জোহার মা।
গজঘণ্টা ইউনিয়নের জয়দেব উত্তর এলাকার ‘মেসার্স এল এন্ড কে ট্রেডার্স’-এর স্বত্বাধিকারী মো. লোকমান হোসেন। তিনি গজঘণ্টা ইউনিয়নের সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা এবং বর্তমানে ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি। তিনি বর্তমান ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের জামাতা বলেও জানা গেছে।
মর্নেয়া ইউনিয়নের বড় রূপাই এলাকার ‘মেসার্স অনিমা এন্টারপ্রাইজ’-এর স্বত্বাধিকারী মো. আমিরুল ইসলাম। তিনি মর্নেয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। নিজের নামেই তিনি ডিলারশিপ পেয়েছেন।
আলমবিদিতর ইউনিয়নের পাইকান মধ্যপাড়া এলাকার ‘মেসার্স লাবিবা এন্টারপ্রাইজ’-এর স্বত্বাধিকারী মো. আব্দুর রউফ বুলু। তিনি আলমবিদিতর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক। এ ছাড়া রংপুর-১ আসনে বিএনপির পরাজিত প্রার্থী মোকাররম হোসেন সুজনের খালাতো ভাই বলে প্রাপ্ত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।
নোহালী ইউনিয়নের মদনপুর বৈরাতী এলাকার ‘মেসার্স স্বপন সার ঘর’-এর স্বত্বাধিকারী মো. মশিউর রহমান। তিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতি চাঁদ সরকারের বোনের ছেলে বলে জানা গেছে।
যাচাই-বাছাই কমিটিতে ছিলেন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামনে এসেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সার ডিলার নিয়োগের উপজেলা পর্যায়ের যাচাই-বাছাই কমিটিতে উপজেলা বিএনপির সভাপতি চাঁদ সরকার ও সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁদের পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের সঙ্গে সম্পর্কিত একাধিক প্রতিষ্ঠানের ডিলারশিপ পাওয়ার তথ্য সামনে আসায় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বার্থের সংঘাত ছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
তবে শুধু পারিবারিক বা রাজনৈতিক সম্পর্ক থাকলেই নিয়োগে অনিয়ম প্রমাণিত হয় না। সংশ্লিষ্ট ডিলাররা নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ করে আবেদন করেছিলেন কি না, নিয়োগের ক্ষেত্রে কী কী মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়েছে এবং যাচাই-বাছাই কমিটি স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে কি না—এসব বিষয় নথিপত্রের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।
স্বচ্ছতা নিশ্চিতের দাবি
কৃষকদের কাছে সময়মতো ও ন্যায্যমূল্যে সার পৌঁছে দিতে সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ অবস্থায় গঙ্গাচড়ায় নিয়োগ পাওয়া ডিলারদের আবেদনপত্র, যোগ্যতা, নিয়োগসংক্রান্ত কার্যবিবরণী এবং যাচাই-বাছাই কমিটির সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার দাবি উঠতে পারে।
এদিকে সার ডিলারের নিয়োগ সম্পর্কে উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর কর্মকর্তার কাচে জানতে চাইলে তিনি উপজেলা নির্বহী অফিসারের সাথে কথা বলার জন্য বলেন।
সার ডিলারের আবেদনকারীদের মধ্য থেকে আবু সায়েম মিন্টু নামে এক ব্যাক্তি বলেন,সার ডিলার নিয়োগে কোনো ধরনের অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি বা ক্ষমতার অপব্যবহার হয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা জরুরি। তদন্তে অনিয়ম প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় সার ডিলার নিয়োগকে কেন্দ্র করে স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে নিয়োগ পাওয়া একাধিক সার ডিলারের সঙ্গে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাদের পারিবারিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে বলে জানা গেছে। কোথাও ডিলারশিপ পেয়েছেন বিএনপি নেতার স্ত্রী, কোথাও ভাই, ছেলে বা আত্মীয়স্বজন। আবার কয়েকজন ডিলার নিজেই বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের পদে রয়েছেন।
সার ডিলার নিয়োগের বিষয়ে রংপুর-১ আসনের এমপি রায়হান সিরাজীর কাছে জানতে চাইলে তিনি ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নয়, সার ডিলার নিয়োগে ‘সবার আগে বিএনপি’ প্রমাণিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন। তিনি আরো বলেন যে রংপুর জেলার সার ডিলারের ক্ষেত্রে যেটি ঘটেছে তা বানরের পিঠা ভাগের মতো হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বেতগাড়ী, কোলকোন্দ, বড়বিল, গঙ্গাচড়া সদর, লক্ষ্মীটারী, গজঘণ্টা, মর্নেয়া, আলমবিদিতর ও নোহালী ইউনিয়নের কয়েকটি সার ডিলারশিপের মালিকদের সঙ্গে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের এমন সম্পর্কের তথ্য সামনে এসেছে। এ নিয়ে সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
যাঁদের নাম আলোচনায়,
বেতগাড়ী ইউনিয়নের ‘মেসার্স মাহি ট্রেডার্স’-এর স্বত্বাধিকারী রুহুল কুদ্দুস। তাঁর বাড়ি কিশামত শেরপুর এলাকায়। তিনি বেতগাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিপন মিয়ার ছোট ভাই। প্রতিষ্ঠানটির ‘মাহি’ নামটি তাঁর ছেলের নাম থেকে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।
কোলকোন্দ ইউনিয়নের কুড়িবিশ্বা এলাকার ‘এম এম ট্রেডার্স’-এর স্বত্বাধিকারী মো. গোলাম রব্বানী। তিনি উপজেলা বিএনপির দায়িত্বপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক। নিজের নামেই তিনি সার ডিলারশিপ পেয়েছেন বলে প্রাপ্ত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।
বড়বিল ইউনিয়নের ‘রাহি এন্ড রাদ এন্টারপ্রাইজ’-এর স্বত্বাধিকারী মোছা. রুজিনা। তিনি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলীর স্ত্রী। তাঁদের দুই ছেলের নাম রাহি ও রাদ, যা প্রতিষ্ঠানের নামের সঙ্গে মিল রয়েছে।
গঙ্গাচড়া সদর ইউনিয়নের ভুটকা এলাকার ‘মেসার্স মা এন্টারপ্রাইজ’-এর স্বত্বাধিকারী মোছা. মোসলেমা বেগম। তিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতি চাঁদ সরকারের স্ত্রী।
লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের মহিপুর এলাকার ‘তিস্তা করপোরেশন’-এর স্বত্বাধিকারী মোছা. জহুরা বেগম। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি বিএনপির সাবেক নেতা ওয়াহেদুজ্জামান মাবুর স্ত্রী এবং জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শরীফ নেওয়াজ জোহার মা।
গজঘণ্টা ইউনিয়নের জয়দেব উত্তর এলাকার ‘মেসার্স এল এন্ড কে ট্রেডার্স’-এর স্বত্বাধিকারী মো. লোকমান হোসেন। তিনি গজঘণ্টা ইউনিয়নের সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা এবং বর্তমানে ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি। তিনি বর্তমান ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের জামাতা বলেও জানা গেছে।
মর্নেয়া ইউনিয়নের বড় রূপাই এলাকার ‘মেসার্স অনিমা এন্টারপ্রাইজ’-এর স্বত্বাধিকারী মো. আমিরুল ইসলাম। তিনি মর্নেয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। নিজের নামেই তিনি ডিলারশিপ পেয়েছেন।
আলমবিদিতর ইউনিয়নের পাইকান মধ্যপাড়া এলাকার ‘মেসার্স লাবিবা এন্টারপ্রাইজ’-এর স্বত্বাধিকারী মো. আব্দুর রউফ বুলু। তিনি আলমবিদিতর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক। এ ছাড়া রংপুর-১ আসনে বিএনপির পরাজিত প্রার্থী মোকাররম হোসেন সুজনের খালাতো ভাই বলে প্রাপ্ত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।
নোহালী ইউনিয়নের মদনপুর বৈরাতী এলাকার ‘মেসার্স স্বপন সার ঘর’-এর স্বত্বাধিকারী মো. মশিউর রহমান। তিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতি চাঁদ সরকারের বোনের ছেলে বলে জানা গেছে।
যাচাই-বাছাই কমিটিতে ছিলেন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামনে এসেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সার ডিলার নিয়োগের উপজেলা পর্যায়ের যাচাই-বাছাই কমিটিতে উপজেলা বিএনপির সভাপতি চাঁদ সরকার ও সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁদের পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের সঙ্গে সম্পর্কিত একাধিক প্রতিষ্ঠানের ডিলারশিপ পাওয়ার তথ্য সামনে আসায় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বার্থের সংঘাত ছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
তবে শুধু পারিবারিক বা রাজনৈতিক সম্পর্ক থাকলেই নিয়োগে অনিয়ম প্রমাণিত হয় না। সংশ্লিষ্ট ডিলাররা নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ করে আবেদন করেছিলেন কি না, নিয়োগের ক্ষেত্রে কী কী মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়েছে এবং যাচাই-বাছাই কমিটি স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে কি না—এসব বিষয় নথিপত্রের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।
স্বচ্ছতা নিশ্চিতের দাবি
কৃষকদের কাছে সময়মতো ও ন্যায্যমূল্যে সার পৌঁছে দিতে সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ অবস্থায় গঙ্গাচড়ায় নিয়োগ পাওয়া ডিলারদের আবেদনপত্র, যোগ্যতা, নিয়োগসংক্রান্ত কার্যবিবরণী এবং যাচাই-বাছাই কমিটির সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার দাবি উঠতে পারে।
এদিকে সার ডিলারের নিয়োগ সম্পর্কে উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর কর্মকর্তার কাচে জানতে চাইলে তিনি উপজেলা নির্বহী অফিসারের সাথে কথা বলার জন্য বলেন।
সার ডিলারের আবেদনকারীদের মধ্য থেকে আবু সায়েম মিন্টু নামে এক ব্যাক্তি বলেন,সার ডিলার নিয়োগে কোনো ধরনের অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি বা ক্ষমতার অপব্যবহার হয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা জরুরি। তদন্তে অনিয়ম প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন