কক্সবাজারের পেকুয়া পৌরসভার আলহাজ্ব কবির আহমদ চৌধুরী বাজারে (পেকুয়া বাজার) একটি করাতকলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মো. কাইছার উদ্দিনের মালিকানাধীন করাতকলটিতে লাগা আগুনে মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে করাতকল ও মজুত করা বিপুল পরিমাণ কাঠ পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী।সোমবার (৩১ আগস্ট) দিবাগত রাত সোয়া ৩টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী ও করাতকল মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো ব্যবসায়িক কার্যক্রম শেষে রাতে করাতকল বন্ধ করে বাড়িতে চলে যান কাইছার উদ্দিন। তাঁর করাতকলে চারজন শ্রমিক কাজ করলেও রাতে সেখানে কেউ থাকেন না।রাত সোয়া ৩টার দিকে বাজারের এক পাহারাদার করাতকলের দিকে আগুন জ্বলতে দেখতে পান। পরে তিনি বিষয়টি কয়েকজন ব্যবসায়ীকে জানান। খবর পেয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। তবে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যেই করাতকল ও সেখানে মজুত করা কাঠের বড় একটি অংশ পুড়ে যায়।স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, করাতকলে পরিকল্পিতভাবে আগুন দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। তাঁদের দাবি, এমনভাবে আগুনের সূত্রপাত ঘটানো হয়েছে, যাতে শুধু কাইছার উদ্দিনের করাতকলটিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মো. কাইছার উদ্দিন বলেন, ‘রাত ৩টার দিকে কয়েকজন ব্যবসায়ী ফোন করে আমার করাতকলে আগুন লাগার খবর দেন। পরে বাড়ি থেকে ঘটনাস্থলে এসে দেখি, করাতকল ও মজুত করা কাঠ পুড়ে গেছে। এতে আমার প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।’তিনি আরও বলেন, ‘আমি প্রায় ১৫ বছর ধরে এই ব্যবসা করে আসছি। কারও সঙ্গে আমার কোনো ধরনের শত্রুতা বা ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব নেই। আগুন দেওয়ার আগে দুর্বৃত্তরা করাতকলে পেট্রোলজাতীয় কোনো দাহ্য পদার্থ ছিটিয়ে থাকতে পারে বলে আমার ধারণা।’এ ঘটনায় অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ী কাইছার উদ্দিন। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।