কক্সবাজারের পেকুয়া আলহাজ্ব কবির আহমদ চৌধুরী বাজারের শত বছরের ঐতিহ্যবাহী খেলার মাঠ সংস্কারের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কামরান জাদিদ মুকুটের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মাঠটির সংস্কার কার্যক্রম শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে পেকুয়া পৌরসভার প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র কবির আহমদ চৌধুরী বাজারের (পেকুয়া বাজার) ঐতিহ্যবাহী খেলার মাঠে এ কার্যক্রম শুরু করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ আনিসুল ইসলাম।
এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর নাগরিক দুর্ভোগ নিরসন ও মাঠের সমস্যা সমাধানের বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর আবেদন করেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কামরান জাদিদ মুকুট। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মাঠ সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ সময় কামরান জাদিদ মুকুটসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিনের অবহেলা ও দখলের কারণে পেকুয়া বাজারের ঐতিহ্যবাহী এ খেলার মাঠটি অনেকটা পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। একসময় বিশাল আয়তনের মাঠটিতে নিয়মিত খেলাধুলা, শরীরচর্চা ও বিভিন্ন টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হতো। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে মাঠের আয়তন সংকুচিত হয়েছে। মাঠের চারপাশে গড়ে উঠেছে পাকা স্থাপনা। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাঠের বড় একটি অংশ দখল করে দোকানঘর ও মার্কেট নির্মাণ করায় খেলাধুলার স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হয়েছে।
উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কামরান জাদিদ মুকুট বলেন, পেকুয়া বাজারের এই ঐতিহ্যবাহী খেলার মাঠ আমাদের এলাকার শত বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে আছে। একসময় এ মাঠে নিয়মিত খেলাধুলা, শরীরচর্চা ও বিভিন্ন টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হতো। কিন্তু দখল ও অবহেলার কারণে মাঠটি তার স্বাভাবিক পরিবেশ হারিয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আমাদের তরুণ প্রজন্ম।
তিনি আরও বলেন, আমরা চাই, মাঠটি দখলমুক্ত করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হোক। শিশু-কিশোর ও তরুণেরা যেন আবারও এ মাঠে খেলাধুলা করতে পারে, সুস্থ বিনোদনের সুযোগ পায় এবং মাদক ও বিভিন্ন সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে থাকে। এটি কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সম্পদ নয়; এটি পেকুয়াবাসীর ঐতিহ্য ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অধিকার।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ আনিসুল ইসলাম বলেন, মাঠের জায়গা পরিমাপ করা হবে। মাঠের জায়গায় অবৈধভাবে কেউ জবরদখলে থাকলে শিগগিরই অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে তা দখলমুক্ত করা হবে।
মাঠটি সংস্কার ও দখলমুক্ত করার উদ্যোগে স্থানীয়দের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। তারা মাঠটির পুরোনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে এনে শিশু-কিশোর ও তরুণদের খেলাধুলার উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬
কক্সবাজারের পেকুয়া আলহাজ্ব কবির আহমদ চৌধুরী বাজারের শত বছরের ঐতিহ্যবাহী খেলার মাঠ সংস্কারের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কামরান জাদিদ মুকুটের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মাঠটির সংস্কার কার্যক্রম শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে পেকুয়া পৌরসভার প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র কবির আহমদ চৌধুরী বাজারের (পেকুয়া বাজার) ঐতিহ্যবাহী খেলার মাঠে এ কার্যক্রম শুরু করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ আনিসুল ইসলাম।
এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর নাগরিক দুর্ভোগ নিরসন ও মাঠের সমস্যা সমাধানের বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর আবেদন করেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কামরান জাদিদ মুকুট। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মাঠ সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ সময় কামরান জাদিদ মুকুটসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিনের অবহেলা ও দখলের কারণে পেকুয়া বাজারের ঐতিহ্যবাহী এ খেলার মাঠটি অনেকটা পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। একসময় বিশাল আয়তনের মাঠটিতে নিয়মিত খেলাধুলা, শরীরচর্চা ও বিভিন্ন টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হতো। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে মাঠের আয়তন সংকুচিত হয়েছে। মাঠের চারপাশে গড়ে উঠেছে পাকা স্থাপনা। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাঠের বড় একটি অংশ দখল করে দোকানঘর ও মার্কেট নির্মাণ করায় খেলাধুলার স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হয়েছে।
উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কামরান জাদিদ মুকুট বলেন, পেকুয়া বাজারের এই ঐতিহ্যবাহী খেলার মাঠ আমাদের এলাকার শত বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে আছে। একসময় এ মাঠে নিয়মিত খেলাধুলা, শরীরচর্চা ও বিভিন্ন টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হতো। কিন্তু দখল ও অবহেলার কারণে মাঠটি তার স্বাভাবিক পরিবেশ হারিয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আমাদের তরুণ প্রজন্ম।
তিনি আরও বলেন, আমরা চাই, মাঠটি দখলমুক্ত করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হোক। শিশু-কিশোর ও তরুণেরা যেন আবারও এ মাঠে খেলাধুলা করতে পারে, সুস্থ বিনোদনের সুযোগ পায় এবং মাদক ও বিভিন্ন সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে থাকে। এটি কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সম্পদ নয়; এটি পেকুয়াবাসীর ঐতিহ্য ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অধিকার।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ আনিসুল ইসলাম বলেন, মাঠের জায়গা পরিমাপ করা হবে। মাঠের জায়গায় অবৈধভাবে কেউ জবরদখলে থাকলে শিগগিরই অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে তা দখলমুক্ত করা হবে।
মাঠটি সংস্কার ও দখলমুক্ত করার উদ্যোগে স্থানীয়দের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। তারা মাঠটির পুরোনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে এনে শিশু-কিশোর ও তরুণদের খেলাধুলার উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন