কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়া সীমান্তে পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে ৪ লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এসব ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এ ঘটনায় একজন কাভার্ড ভ্যানচালকসহ চার'জনকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ অক্টোবর রাত ১০টার দিকে টেকনাফ থেকে চট্টগ্রামগামী একটি কাভার্ড ভ্যান হোয়াইক্যং চেকপোস্টে পৌঁছালে তল্লাশি চালান বিজিবি সদস্যরা। এ সময় কাভার্ড ভ্যানটির পেছনে সিট কভারের নিচে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ১ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় কাভার্ড ভ্যানের চালক মো. সাইফুল ইসলাম (৩৬) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি চট্টগ্রামের বাসিন্দা। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত কাভার্ড ভ্যান ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
অন্যদিকে, একই দিন রাত ১২টার দিকে উখিয়ার পালংখালী সীমান্তে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে বিজিবির একটি বিশেষ টহল দল। এ সময় সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টাকালে সন্দেহজনকভাবে চলাচল করতে দেখে তিনজনকে চ্যালেঞ্জ করেন বিজিবি সদস্যরা। পরে তাঁদের আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন রাসেল (২৩), খাইরুল আমিন (২৪) ও শাকিল (২২)। বিজিবির ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তল্লাশি চালিয়ে একটি খাল থেকে আরও ৩ লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
৬৪ বিজিবি জানায়, দুটি পৃথক অভিযানে সর্বমোট ৪ লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এ ঘটনায় আটক চারজনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
সংবাদ সম্মেলনে বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম আরও জানান, মাদকের বিরুদ্ধে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। সীমান্ত দিয়ে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে টেকনাফ ও উখিয়া এলাকায় অভিযান ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি মাদক চোরাচালান-সংক্রান্ত তথ্য দিয়ে বিজিবিকে সহযোগিতা করার জন্য স্থানীয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬
কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়া সীমান্তে পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে ৪ লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এসব ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এ ঘটনায় একজন কাভার্ড ভ্যানচালকসহ চার'জনকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ অক্টোবর রাত ১০টার দিকে টেকনাফ থেকে চট্টগ্রামগামী একটি কাভার্ড ভ্যান হোয়াইক্যং চেকপোস্টে পৌঁছালে তল্লাশি চালান বিজিবি সদস্যরা। এ সময় কাভার্ড ভ্যানটির পেছনে সিট কভারের নিচে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ১ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় কাভার্ড ভ্যানের চালক মো. সাইফুল ইসলাম (৩৬) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি চট্টগ্রামের বাসিন্দা। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত কাভার্ড ভ্যান ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
অন্যদিকে, একই দিন রাত ১২টার দিকে উখিয়ার পালংখালী সীমান্তে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে বিজিবির একটি বিশেষ টহল দল। এ সময় সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টাকালে সন্দেহজনকভাবে চলাচল করতে দেখে তিনজনকে চ্যালেঞ্জ করেন বিজিবি সদস্যরা। পরে তাঁদের আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন রাসেল (২৩), খাইরুল আমিন (২৪) ও শাকিল (২২)। বিজিবির ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তল্লাশি চালিয়ে একটি খাল থেকে আরও ৩ লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
৬৪ বিজিবি জানায়, দুটি পৃথক অভিযানে সর্বমোট ৪ লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এ ঘটনায় আটক চারজনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
সংবাদ সম্মেলনে বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম আরও জানান, মাদকের বিরুদ্ধে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। সীমান্ত দিয়ে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে টেকনাফ ও উখিয়া এলাকায় অভিযান ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি মাদক চোরাচালান-সংক্রান্ত তথ্য দিয়ে বিজিবিকে সহযোগিতা করার জন্য স্থানীয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন