বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমারে পাচারের সময় ৪ হাজার ৪০১ কেজি ইউরিয়া ও টিএসপি সার জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
১ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব সার জব্দ করা হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)-এর অধীন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম, বাইশফাঁড়ী, চাকঢালা ও রেজুপাড়া বিওপির টহলদল চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ৪ হাজার ৪০১ কেজি ইউরিয়া ও টিএসপি সার জব্দ করা হয়। জব্দকৃত সারের আনুমানিক সিজারমূল্য ৫ লাখ ১ হাজার ৮১০ টাকা।
এ বিষয়ে কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম, পিবিজিএম, পিএসসি বলেন, ‘সার দেশের কৃষি উৎপাদনের জন্য একটি অত্যাবশ্যকীয় উপকরণ। এর অবৈধ পাচার দেশের কৃষি উৎপাদন, খাদ্য নিরাপত্তা ও জাতীয় অর্থনীতির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সারসহ সব ধরনের সরকারি নিয়ন্ত্রিত পণ্যের অবৈধ পাচার রোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করার পাশাপাশি এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমারে পাচারের সময় ৪ হাজার ৪০১ কেজি ইউরিয়া ও টিএসপি সার জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
১ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব সার জব্দ করা হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)-এর অধীন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম, বাইশফাঁড়ী, চাকঢালা ও রেজুপাড়া বিওপির টহলদল চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ৪ হাজার ৪০১ কেজি ইউরিয়া ও টিএসপি সার জব্দ করা হয়। জব্দকৃত সারের আনুমানিক সিজারমূল্য ৫ লাখ ১ হাজার ৮১০ টাকা।
এ বিষয়ে কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম, পিবিজিএম, পিএসসি বলেন, ‘সার দেশের কৃষি উৎপাদনের জন্য একটি অত্যাবশ্যকীয় উপকরণ। এর অবৈধ পাচার দেশের কৃষি উৎপাদন, খাদ্য নিরাপত্তা ও জাতীয় অর্থনীতির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সারসহ সব ধরনের সরকারি নিয়ন্ত্রিত পণ্যের অবৈধ পাচার রোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করার পাশাপাশি এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আপনার মতামত লিখুন