জাতীয় সাপ্তাহিক সময়ের প্রয়াস

ত্রিশালে ব্যবসায়ীর ওপর হামলা, দেড় লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ



ত্রিশালে ব্যবসায়ীর ওপর হামলা, দেড় লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ

ময়মনসিংহের ত্রিশালে মো. সানাউল হক আলমগীর (৩৩) নামে এক ব্যবসায়ীর ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা ও তাঁর সঙ্গে থাকা ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার চরপাড়া-পোড়াবাড়ি সড়কের পুরাতন সুরাইয়া রাইস মিল মোড়, সুজা কমিশনার স'মিল সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
সানাউল হক আলমগীর মরহুম শামমছুল হক সুজা কমিশনারের দ্বিতীয় ছেলে। তিনি এ মোড়ে  ফিস ফিডের ব্যবসা পরিচালনা করেন।

পরিবারের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় কোম্পানি থেকে ফিস ফিডের খাদ্য দোকানে পৌঁছালে তা দোকানের ভেতরে স্থানান্তরের জন্য সানাউল হক আলমগীর দোকানে যান। কিছুক্ষণ পর কয়েকজন ব্যক্তি ধীরে ধীরে দোকানের আঙিনায় জড়ো হতে থাকে। একপর্যায়ে তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালায়। হামলার সময় তাঁর কাছে থাকা ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।

পরিবারের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়, হামলাকারীদের মধ্যে রুহুল কমিশনারের ছেলে সোহাগ ও তাঁর ভাতিজা আল-আমিন, আহমদ মাওলানা বাড়ির ফজলু মৌলানার তিন ছেলে শামীম, মুস্তাকিম ও ফুরকান এবং মজিদ মৌলানার দুই ছেলে রেজাউল ও সরোয়ারসহ আরও কয়েকজন ছিলেন।

হামলার একপর্যায়ে সানাউল হক আলমগীর গুরুতর আহত হলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এগিয়ে এসে তাঁকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করেন। পরে তাঁকে চিকিৎসার জন্য ত্রিশাল মেডিকেল সেন্টার (টিএমসি)-তে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁর চিকিৎসা দেওয়া হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এ ঘটনায় সানাউল হক আলমগীরের পরিবার এটিকে পরিকল্পিত হামলা দাবি করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে হামলা ও ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত প্রকৃত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে পরিবারটি।

পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, “এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলা ও ছিনতাই কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সন্ত্রাস ও অপরাধমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছি।”

তবে এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বক্তব্য ও মামলা সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে বিস্তারিত জানানো হবে।

আপনার মতামত লিখুন

জাতীয় সাপ্তাহিক সময়ের প্রয়াস

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬


ত্রিশালে ব্যবসায়ীর ওপর হামলা, দেড় লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ময়মনসিংহের ত্রিশালে মো. সানাউল হক আলমগীর (৩৩) নামে এক ব্যবসায়ীর ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা ও তাঁর সঙ্গে থাকা ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার চরপাড়া-পোড়াবাড়ি সড়কের পুরাতন সুরাইয়া রাইস মিল মোড়, সুজা কমিশনার স'মিল সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
সানাউল হক আলমগীর মরহুম শামমছুল হক সুজা কমিশনারের দ্বিতীয় ছেলে। তিনি এ মোড়ে  ফিস ফিডের ব্যবসা পরিচালনা করেন।

পরিবারের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় কোম্পানি থেকে ফিস ফিডের খাদ্য দোকানে পৌঁছালে তা দোকানের ভেতরে স্থানান্তরের জন্য সানাউল হক আলমগীর দোকানে যান। কিছুক্ষণ পর কয়েকজন ব্যক্তি ধীরে ধীরে দোকানের আঙিনায় জড়ো হতে থাকে। একপর্যায়ে তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালায়। হামলার সময় তাঁর কাছে থাকা ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।

পরিবারের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়, হামলাকারীদের মধ্যে রুহুল কমিশনারের ছেলে সোহাগ ও তাঁর ভাতিজা আল-আমিন, আহমদ মাওলানা বাড়ির ফজলু মৌলানার তিন ছেলে শামীম, মুস্তাকিম ও ফুরকান এবং মজিদ মৌলানার দুই ছেলে রেজাউল ও সরোয়ারসহ আরও কয়েকজন ছিলেন।

হামলার একপর্যায়ে সানাউল হক আলমগীর গুরুতর আহত হলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এগিয়ে এসে তাঁকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করেন। পরে তাঁকে চিকিৎসার জন্য ত্রিশাল মেডিকেল সেন্টার (টিএমসি)-তে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁর চিকিৎসা দেওয়া হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এ ঘটনায় সানাউল হক আলমগীরের পরিবার এটিকে পরিকল্পিত হামলা দাবি করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে হামলা ও ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত প্রকৃত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে পরিবারটি।

পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, “এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলা ও ছিনতাই কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সন্ত্রাস ও অপরাধমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছি।”

তবে এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বক্তব্য ও মামলা সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে বিস্তারিত জানানো হবে।


জাতীয় সাপ্তাহিক সময়ের প্রয়াস

সম্পাদক ও প্রকাশক- মুহাম্মদ হোছাইন চৌধুরী
কপিরাইট © ২০২৬ জাতীয় সাপ্তাহিক সময়ের প্রয়াস । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত