বান্দরবানের থানচির দুর্গম সীমান্ত এলাকায় ডায়রিয়ায় আক্রান্ত স্থানীয়দের জরুরি চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছে আলীকদম ব্যাটালিয়ন (৫৭ বিজিবি)। বিজিবির মদক বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মদক ভিতরপাড়া গ্রামে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে এক নারীর মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর দ্রুত সেখানে মেডিকেল সহায়তা পাঠানো হয়।
৫৭ বিজিবির প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ভোর ৬টার দিকে মদক ভিতরপাড়া গ্রামের থুই মা চিং মার্মা (৪২) ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তিনি হ্লালা চিংসা মার্মার স্ত্রী। তাঁদের বাড়ি থানচি উপজেলার রেমাক্রি এলাকার ভিতরপাড়া গ্রামে।
মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর ঘটনাটি সরেজমিনে যাচাই এবং আক্রান্তদের চিকিৎসা সহায়তা দিতে মদক বিওপি থেকে একজন মেডিকেল সহকারী, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও টহলদল দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত আরও কয়েকজন রোগী শনাক্ত করে তাদের চিকিৎসা দেওয়া শুরু হয়।
বিজিবি জানিয়েছে, আক্রান্তদের চিকিৎসা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। দুর্গম সীমান্ত এলাকার মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে থানচি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি মেডিকেল টিমও ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে আক্রান্তদের চিকিৎসা আরও জোরদার করতে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ৫৭ বিজিবির মেডিকেল অফিসারের নেতৃত্বে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামসহ আরও একটি মেডিকেল টিম ঘটনাস্থলে পাঠানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
৫৭ বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি দুর্গম এলাকার মানুষের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা, মানবিক সহায়তা এবং স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হচ্ছে।

রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বান্দরবানের থানচির দুর্গম সীমান্ত এলাকায় ডায়রিয়ায় আক্রান্ত স্থানীয়দের জরুরি চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছে আলীকদম ব্যাটালিয়ন (৫৭ বিজিবি)। বিজিবির মদক বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মদক ভিতরপাড়া গ্রামে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে এক নারীর মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর দ্রুত সেখানে মেডিকেল সহায়তা পাঠানো হয়।
৫৭ বিজিবির প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ভোর ৬টার দিকে মদক ভিতরপাড়া গ্রামের থুই মা চিং মার্মা (৪২) ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তিনি হ্লালা চিংসা মার্মার স্ত্রী। তাঁদের বাড়ি থানচি উপজেলার রেমাক্রি এলাকার ভিতরপাড়া গ্রামে।
মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর ঘটনাটি সরেজমিনে যাচাই এবং আক্রান্তদের চিকিৎসা সহায়তা দিতে মদক বিওপি থেকে একজন মেডিকেল সহকারী, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও টহলদল দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত আরও কয়েকজন রোগী শনাক্ত করে তাদের চিকিৎসা দেওয়া শুরু হয়।
বিজিবি জানিয়েছে, আক্রান্তদের চিকিৎসা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। দুর্গম সীমান্ত এলাকার মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে থানচি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি মেডিকেল টিমও ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে আক্রান্তদের চিকিৎসা আরও জোরদার করতে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ৫৭ বিজিবির মেডিকেল অফিসারের নেতৃত্বে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামসহ আরও একটি মেডিকেল টিম ঘটনাস্থলে পাঠানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
৫৭ বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি দুর্গম এলাকার মানুষের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা, মানবিক সহায়তা এবং স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন