ইউক্রেনের বাহিনী রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে এক রাতেই এক হাজারের বেশি ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে মস্কো। এর মধ্যে শত শত ড্রোন রুশ রাজধানী মস্কোর দিকে পাঠানো হয়। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাশিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনের তৃতীয় ও শেষ দিনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন এ ঘটনাকে রাজধানীর ওপর এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি জানান, হামলায় মস্কো অয়েল রিফাইনারি ও একটি আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মস্কো অঞ্চলের গভর্নর আন্দ্রেই ভোরোবিয়ভের তথ্য অনুযায়ী, হামলায় দুইজন নিহত এবং অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, দেশটির বিভিন্ন অঞ্চল, অধিকৃত ক্রিমিয়া ও কৃষ্ণসাগরের ওপর মোট ১ হাজার ১১০টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। শুধু মস্কোমুখী ৪৫০টি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সোবিয়ানিন।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, হামলায় দেশীয়ভাবে তৈরি ‘ফ্লেমিঙ্গো’ ও ‘পেলিকান’ ক্ষেপণাস্ত্রসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। লক্ষ্য ছিল রাশিয়ার তেল ও সরবরাহ অবকাঠামো, যা যুদ্ধ পরিচালনায় অর্থ জোগায় বলে দাবি কিয়েভের।
এদিকে রাশিয়াও ইউক্রেনে হামলা অব্যাহত রেখেছে। কিয়েভ অঞ্চলে রুশ হামলায় এক নারী ও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। খেরসন অঞ্চলের একটি মঠে ড্রোন হামলায় এক ধর্মযাজক নিহত এবং আরও চারজন আহত হয়েছেন।
সূত্র: এপি

রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইউক্রেনের বাহিনী রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে এক রাতেই এক হাজারের বেশি ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে মস্কো। এর মধ্যে শত শত ড্রোন রুশ রাজধানী মস্কোর দিকে পাঠানো হয়। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাশিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনের তৃতীয় ও শেষ দিনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন এ ঘটনাকে রাজধানীর ওপর এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি জানান, হামলায় মস্কো অয়েল রিফাইনারি ও একটি আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মস্কো অঞ্চলের গভর্নর আন্দ্রেই ভোরোবিয়ভের তথ্য অনুযায়ী, হামলায় দুইজন নিহত এবং অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, দেশটির বিভিন্ন অঞ্চল, অধিকৃত ক্রিমিয়া ও কৃষ্ণসাগরের ওপর মোট ১ হাজার ১১০টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। শুধু মস্কোমুখী ৪৫০টি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সোবিয়ানিন।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, হামলায় দেশীয়ভাবে তৈরি ‘ফ্লেমিঙ্গো’ ও ‘পেলিকান’ ক্ষেপণাস্ত্রসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। লক্ষ্য ছিল রাশিয়ার তেল ও সরবরাহ অবকাঠামো, যা যুদ্ধ পরিচালনায় অর্থ জোগায় বলে দাবি কিয়েভের।
এদিকে রাশিয়াও ইউক্রেনে হামলা অব্যাহত রেখেছে। কিয়েভ অঞ্চলে রুশ হামলায় এক নারী ও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। খেরসন অঞ্চলের একটি মঠে ড্রোন হামলায় এক ধর্মযাজক নিহত এবং আরও চারজন আহত হয়েছেন।
সূত্র: এপি

আপনার মতামত লিখুন