চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতী শাহ্ মনজিল সীরাত ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়েছে ১৯ দিনব্যাপী ৫৬তম আন্তর্জাতিক মাহফিলে সীরতুন্নবী (সা.)-এর ১১তম দিবসের কর্মসূচি।
যুগশ্রেষ্ঠ আলেম হযরত মাওলানা হাফেজ আহমদ প্রকাশ শাহ্ সাহেব কেবলা চুনতী প্রবর্তিত এ মাহফিলে বক্তারা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর মুজিযা, জুমার নামাজের ফজিলত, পারিবারিক দায়িত্ব, কোরআনের অলৌকিকত্ব এবং বিশ্বনবী হিসেবে তাঁর সার্বজনীন আদর্শের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
চুনতী হাকিমিয়া কামিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি ড. মাওলানা হেলাল উদ্দিন মোহাম্মদ নোমানের সভাপতিত্বে এবং মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ফারুক হোসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনায়,ড. মাওলানা আবদুল কাদের নিজামী বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর মুজিযা তাঁর নবুওয়াতের সত্যতার গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। কোরআন-হাদিসের আলোকে এসব বিষয়ে জ্ঞানচর্চার মাধ্যমে ঈমান ও রাসূলপ্রেম সুদৃঢ় করতে হবে।
আলহাজ্ব মাওলানা নেজাম উদ্দিন জুমার দিনের ফজিলত ও জুমার নামাজের বিধান তুলে ধরে এর পূর্বাপর সুন্নাত ও নফল নামাজ যথাযথভাবে আদায়ের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন।
আলহাজ্ব মাওলানা আজিজুল ইসলাম কিয়ামতের দিন আরশের ছায়াপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের গুণাবলি তুলে ধরে তাকওয়া, ন্যায়পরায়ণতা, ইবাদত ও মানবিক দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আলহাজ্ব মাওলানা আ.ন.ম নোমান পিতা-মাতা ও সন্তানদের পারস্পরিক অধিকার ও দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, পরিবারে ইসলামী মূল্যবোধ ও দায়িত্ববোধ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই একটি সুস্থ সমাজ গড়ে ওঠে।
আলহাজ্ব মাওলানা মুহিউদ্দিন মাহবুব কোরআনের অলৌকিকত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে এর শিক্ষা ব্যক্তি ও সমাজজীবনে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেন।
আলহাজ্ব ড. মাওলানা সাইফুল আজম বাবর আজহারী রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে বিশ্বনবী ও মানবতার সার্বজনীন আদর্শ হিসেবে উল্লেখ করে তাঁর ন্যায়, সাম্য, মানবিকতা ও কল্যাণের শিক্ষা অনুসরণের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মাওলানা জহিরুল ইসলাম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. নিয়াজ আহমদ খান, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ব্যারিস্টার বেলায়াত হোসেন।
এ ছাড়া মাহফিল মোতাওয়াল্লী কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ হাফিজুল ইসলাম আবুল কালাম আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাদা মাওলানা আবদুল মালেক মুহাম্মদ ইবনে দীনার নাজাত, কমিটির সদস্য আলহাজ্ব আবু তাহের, আলহাজ্ব ইসমাইল মানিক, অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা হাফিজুল ইসলাম নিজামী,মাওলানা ওলিউদ্দিন মোহাম্মদ, কাজী আরিফ, শাহজাদা তৈয়বুল হক বেদার ও সাইফুউদ্দিন মোহাম্মদ তারেকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলরা উপস্থিত ছিলেন।
ক্বারী মাওলানা আরিফুল ইসলাম ও মুহাম্মদ ইমরান হোসাইনের কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। পরে মুস্তাসিব মুহাম্মদ আরমান, আব্দুল্লাহ আল নুর আহমদ সাকিব ও আবু শরিফ মুহাম্মদ সায়েম হাসনাইন না’আতে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন।
খোতবায়ে ছদর, মিলাদ শরিফ ও মোনাজাতের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শেষ হয়।

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতী শাহ্ মনজিল সীরাত ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়েছে ১৯ দিনব্যাপী ৫৬তম আন্তর্জাতিক মাহফিলে সীরতুন্নবী (সা.)-এর ১১তম দিবসের কর্মসূচি।
যুগশ্রেষ্ঠ আলেম হযরত মাওলানা হাফেজ আহমদ প্রকাশ শাহ্ সাহেব কেবলা চুনতী প্রবর্তিত এ মাহফিলে বক্তারা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর মুজিযা, জুমার নামাজের ফজিলত, পারিবারিক দায়িত্ব, কোরআনের অলৌকিকত্ব এবং বিশ্বনবী হিসেবে তাঁর সার্বজনীন আদর্শের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
চুনতী হাকিমিয়া কামিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি ড. মাওলানা হেলাল উদ্দিন মোহাম্মদ নোমানের সভাপতিত্বে এবং মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ফারুক হোসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনায়,ড. মাওলানা আবদুল কাদের নিজামী বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর মুজিযা তাঁর নবুওয়াতের সত্যতার গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। কোরআন-হাদিসের আলোকে এসব বিষয়ে জ্ঞানচর্চার মাধ্যমে ঈমান ও রাসূলপ্রেম সুদৃঢ় করতে হবে।
আলহাজ্ব মাওলানা নেজাম উদ্দিন জুমার দিনের ফজিলত ও জুমার নামাজের বিধান তুলে ধরে এর পূর্বাপর সুন্নাত ও নফল নামাজ যথাযথভাবে আদায়ের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন।
আলহাজ্ব মাওলানা আজিজুল ইসলাম কিয়ামতের দিন আরশের ছায়াপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের গুণাবলি তুলে ধরে তাকওয়া, ন্যায়পরায়ণতা, ইবাদত ও মানবিক দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আলহাজ্ব মাওলানা আ.ন.ম নোমান পিতা-মাতা ও সন্তানদের পারস্পরিক অধিকার ও দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, পরিবারে ইসলামী মূল্যবোধ ও দায়িত্ববোধ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই একটি সুস্থ সমাজ গড়ে ওঠে।
আলহাজ্ব মাওলানা মুহিউদ্দিন মাহবুব কোরআনের অলৌকিকত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে এর শিক্ষা ব্যক্তি ও সমাজজীবনে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেন।
আলহাজ্ব ড. মাওলানা সাইফুল আজম বাবর আজহারী রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে বিশ্বনবী ও মানবতার সার্বজনীন আদর্শ হিসেবে উল্লেখ করে তাঁর ন্যায়, সাম্য, মানবিকতা ও কল্যাণের শিক্ষা অনুসরণের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মাওলানা জহিরুল ইসলাম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. নিয়াজ আহমদ খান, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ব্যারিস্টার বেলায়াত হোসেন।
এ ছাড়া মাহফিল মোতাওয়াল্লী কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ হাফিজুল ইসলাম আবুল কালাম আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাদা মাওলানা আবদুল মালেক মুহাম্মদ ইবনে দীনার নাজাত, কমিটির সদস্য আলহাজ্ব আবু তাহের, আলহাজ্ব ইসমাইল মানিক, অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা হাফিজুল ইসলাম নিজামী,মাওলানা ওলিউদ্দিন মোহাম্মদ, কাজী আরিফ, শাহজাদা তৈয়বুল হক বেদার ও সাইফুউদ্দিন মোহাম্মদ তারেকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলরা উপস্থিত ছিলেন।
ক্বারী মাওলানা আরিফুল ইসলাম ও মুহাম্মদ ইমরান হোসাইনের কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। পরে মুস্তাসিব মুহাম্মদ আরমান, আব্দুল্লাহ আল নুর আহমদ সাকিব ও আবু শরিফ মুহাম্মদ সায়েম হাসনাইন না’আতে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন।
খোতবায়ে ছদর, মিলাদ শরিফ ও মোনাজাতের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শেষ হয়।

আপনার মতামত লিখুন