জাতীয় সাপ্তাহিক সময়ের প্রয়াস

পাকিস্তানে মসজিদে হামলার ঘটনায় অভিযানে ৮ সন্ত্রাসী নিহত



পাকিস্তানে মসজিদে হামলার ঘটনায় অভিযানে ৮ সন্ত্রাসী নিহত

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার কোহাট জেলার পুরোনো পুলিশ লাইন্সে ভয়াবহ হামলার পর রাতভর চালানো অভিযান শেষ হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে আট হামলাকারী নিহত হয়েছে বলে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) জানিয়েছে প্রাদেশিক পুলিশ। হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১৭ পুলিশ সদস্য ও ছয় বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন। আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ।

পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়, এলিট ফোর্স, কাউন্টার টেররিজম ডিপার্টমেন্ট (সিটিডি) ও নিরাপত্তা বাহিনী যৌথভাবে ভবনগুলোর গুরুত্বপূর্ণ অংশে তল্লাশি ও অভিযান চালায়। এ সময় আট হামলাকারী নিহত হয়।



অভিযান চলাকালে সিটিডির অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক গ্রেনেড হামলায় হাতে আহত হন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তিনি আবারও ঘটনাস্থলে ফিরে অভিযান তদারক করেন বলে সিটিডি জানিয়েছে।



শুক্রবার বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি পুলিশ লাইন্সের একটি মসজিদ বিস্ফোরিত হয়। পরে সশস্ত্র হামলাকারীরা কম্পাউন্ডে ঢুকে পুলিশ স্থাপনাগুলোতে হামলা চালায়।



শনিবার খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহাইল আফ্রিদি আহতদের দেখতে হাসপাতালে যান এবং নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তিনি আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।



হামলার দায় স্বীকার করেছে হাফিজ গুল বাহাদুরের নেতৃত্বাধীন ইত্তেহাদুল মুজাহিদিন। নিহতদের মধ্যে ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা আকবর শিনওয়ারি, চিকিৎসক ইসরাইল ওরাকজাই এবং সিটিডি ও স্পেশাল ব্রাঞ্চের কর্মকর্তারাও রয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

জাতীয় সাপ্তাহিক সময়ের প্রয়াস

রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পাকিস্তানে মসজিদে হামলার ঘটনায় অভিযানে ৮ সন্ত্রাসী নিহত

প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার কোহাট জেলার পুরোনো পুলিশ লাইন্সে ভয়াবহ হামলার পর রাতভর চালানো অভিযান শেষ হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে আট হামলাকারী নিহত হয়েছে বলে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) জানিয়েছে প্রাদেশিক পুলিশ। হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১৭ পুলিশ সদস্য ও ছয় বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন। আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ।

পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়, এলিট ফোর্স, কাউন্টার টেররিজম ডিপার্টমেন্ট (সিটিডি) ও নিরাপত্তা বাহিনী যৌথভাবে ভবনগুলোর গুরুত্বপূর্ণ অংশে তল্লাশি ও অভিযান চালায়। এ সময় আট হামলাকারী নিহত হয়।



অভিযান চলাকালে সিটিডির অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক গ্রেনেড হামলায় হাতে আহত হন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তিনি আবারও ঘটনাস্থলে ফিরে অভিযান তদারক করেন বলে সিটিডি জানিয়েছে।



শুক্রবার বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি পুলিশ লাইন্সের একটি মসজিদ বিস্ফোরিত হয়। পরে সশস্ত্র হামলাকারীরা কম্পাউন্ডে ঢুকে পুলিশ স্থাপনাগুলোতে হামলা চালায়।



শনিবার খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহাইল আফ্রিদি আহতদের দেখতে হাসপাতালে যান এবং নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তিনি আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।



হামলার দায় স্বীকার করেছে হাফিজ গুল বাহাদুরের নেতৃত্বাধীন ইত্তেহাদুল মুজাহিদিন। নিহতদের মধ্যে ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা আকবর শিনওয়ারি, চিকিৎসক ইসরাইল ওরাকজাই এবং সিটিডি ও স্পেশাল ব্রাঞ্চের কর্মকর্তারাও রয়েছেন।


জাতীয় সাপ্তাহিক সময়ের প্রয়াস

সম্পাদক ও প্রকাশক- মুহাম্মদ হোছাইন চৌধুরী
কপিরাইট © ২০২৬ জাতীয় সাপ্তাহিক সময়ের প্রয়াস । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত