চিঠিতে বলা হয়, কমিশন গঠিত কমিটির সুপারিশের আলোকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাথমিক অবকাঠামো ও সার্বিক সুযোগ-সুবিধা, বিধিবদ্ধ বিধান, একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের অনুমোদন এবং স্নাতকদের ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে বিভাগ দুটি খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
ইউজিসির শর্ত অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রতিটি বিভাগে স্নাতক পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৪০ জন করে শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে। তবে আপাতত বিভাগ দুটির শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নতুন কোনো শিক্ষক, কর্মকর্তা বা কর্মচারীর পদ ছাড় করা হয়নি। শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাহিদা বিবেচনায় পর্যায়ক্রমে পদ ছাড়ের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২৬ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩০তম একাডেমিক কাউন্সিলের সভা এবং ৩১ মে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় বিভাগ দুটি চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
শিক্ষার্থীরা বিভাগ দুটি চালুর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা, শুরু থেকেই বিভাগগুলোর একাডেমিক কার্যক্রম মানসম্মতভাবে পরিচালিত হবে।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব। তিনি লেখেন, বিভাগ দুটি চালুর মাধ্যমে জ্ঞানচর্চার নতুন দুয়ার উন্মোচিত হয়েছে। সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে এটি বাংলাদেশের ইসলামী উচ্চশিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, এই দুই বিভাগ চালুর মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় তার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই শিক্ষার্থী ভর্তি নেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ভাবধারা ও লক্ষ্য ঠিক রেখেই একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
চিঠিতে বলা হয়, কমিশন গঠিত কমিটির সুপারিশের আলোকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাথমিক অবকাঠামো ও সার্বিক সুযোগ-সুবিধা, বিধিবদ্ধ বিধান, একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের অনুমোদন এবং স্নাতকদের ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে বিভাগ দুটি খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
ইউজিসির শর্ত অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রতিটি বিভাগে স্নাতক পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৪০ জন করে শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে। তবে আপাতত বিভাগ দুটির শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নতুন কোনো শিক্ষক, কর্মকর্তা বা কর্মচারীর পদ ছাড় করা হয়নি। শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাহিদা বিবেচনায় পর্যায়ক্রমে পদ ছাড়ের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২৬ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩০তম একাডেমিক কাউন্সিলের সভা এবং ৩১ মে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় বিভাগ দুটি চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
শিক্ষার্থীরা বিভাগ দুটি চালুর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা, শুরু থেকেই বিভাগগুলোর একাডেমিক কার্যক্রম মানসম্মতভাবে পরিচালিত হবে।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব। তিনি লেখেন, বিভাগ দুটি চালুর মাধ্যমে জ্ঞানচর্চার নতুন দুয়ার উন্মোচিত হয়েছে। সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে এটি বাংলাদেশের ইসলামী উচ্চশিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, এই দুই বিভাগ চালুর মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় তার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই শিক্ষার্থী ভর্তি নেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ভাবধারা ও লক্ষ্য ঠিক রেখেই একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন