কমিশনের
বাইরে নানা ধরনের চার্জ,
জটিল হিসাব, অর্ডার বাতিলের লোকসান, অপেক্ষার মাশুল, একতরফা জরিমানা ও রিফান্ডের নামে
টাকা কেটে নেওয়ার অভিযোগ
উঠেছে অনলাইনে খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ফুডপান্ডার বিরুদ্ধে। রেস্তোরাঁ মালিকদের অভিযোগ, বিক্রির টাকা পেতেও ১৩
দিন বা তার বেশি
সময় লাগছে। এতে একদিকে বাড়ছে
ব্যবসার খরচ, অন্যদিকে সংকুচিত
হচ্ছে মুনাফা। এমন পরিস্থিতিতে ফুডপান্ডার
একতরফা ও অস্বচ্ছ ব্যবসায়িক
নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রামের রেস্তোরাঁ মালিকেরা।
তাদের
দাবি, কমিশনসহ সব ধরনের চার্জ
মিলিয়ে সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশের মধ্যে
রাখতে হবে। অন্যথায় চট্টগ্রাম
মহানগরের রেস্তোরাঁগুলোতে ফুডপান্ডার মাধ্যমে স্থায়ীভাবে অর্ডার গ্রহণ বন্ধ করে দেওয়ার
হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
রেস্তোরাঁ
মালিকদের অভিযোগ, ফুডপান্ডার সঙ্গে চুক্তিতে নির্ধারিত কমিশনের বাইরেও অনলাইন পেমেন্ট চার্জ, অপেক্ষার মাশুল, কমিশনের ওপর মূল্য সংযোজন
কর (ভ্যাট), ট্যাব ফি ও ইন্টারনেট
ফিসহ বিভিন্ন খাতে টাকা কেটে
নেওয়া হয়। ফলে কাগজে-কলমে বিক্রি ভালো
দেখালেও সব খরচ বাদ
দিয়ে হাতে থাকছে সামান্য
অর্থ। এসব চার্জের বিস্তারিত
হিসাবও সহজে বোঝা যায়
না বলে দাবি তাদের।
মালিকদের
ভাষ্য, মাস শেষে ফুডপান্ডার
পাঠানো হিসাব এতটাই জটিল যে কোন
খাতে কত টাকা কাটা
হয়েছে, তা বুঝতে হিমশিম
খেতে হয়। কোনো কোনো
ক্ষেত্রে হিসাবের খাত ও কর্তনের
কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায় না। এতে
নিজেদের বিক্রি, কমিশন ও প্রকৃত আয়
যাচাই করাও কঠিন হয়ে
পড়ে।
অর্ডার
বাতিলের লোকসান রেস্তোরাঁর, দায়ও তাদের
রেস্তোরাঁ
মালিকদের অভিযোগ, ফুডপান্ডার প্রযুক্তিগত সমস্যা কিংবা খাবার সরবরাহের ব্যবস্থাপনায় জটিলতার কারণে অর্ডার বাতিল হলেও এর আর্থিক
দায় নিতে হয় রেস্তোরাঁ
মালিকদের। একটি অর্ডার পাওয়ার
পর খাবার তৈরিতে কাঁচামাল, শ্রম ও সময়
ব্যয় হয়। কিন্তু খাবার
তৈরি হয়ে যাওয়ার পর
অর্ডার বাতিল হলে সেই খাবার
অন্য গ্রাহকের কাছে বিক্রি করা
সব সময় সম্ভব হয়
না। এতে খাবারের পুরো
খরচই লোকসানে পরিণত হতে পারে।
দেশীয়
প্ল্যাটফর্মের কমিশন ১৫ শতাংশ, প্রশ্ন
ফুডপান্ডাকে নিয়ে
সংবাদ
সম্মেলনে দেশীয় খাবার সরবরাহকারী প্ল্যাটফর্ম ফুডির উদাহরণ টেনে রেস্তোরাঁ মালিকেরা
বলেন, দেশীয় প্রতিষ্ঠান ১৫ শতাংশ সমন্বিত
কমিশনে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারলে ফুডপান্ডার
ক্ষেত্রে কমিশনের বাইরে এত ধরনের চার্জ
কেন থাকবে? তাদের দাবি, সব চার্জ কমিশনের
মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে সর্বোচ্চ ১৫
শতাংশ সমন্বিত কমিশন নির্ধারণ করতে হবে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬
কমিশনের
বাইরে নানা ধরনের চার্জ,
জটিল হিসাব, অর্ডার বাতিলের লোকসান, অপেক্ষার মাশুল, একতরফা জরিমানা ও রিফান্ডের নামে
টাকা কেটে নেওয়ার অভিযোগ
উঠেছে অনলাইনে খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ফুডপান্ডার বিরুদ্ধে। রেস্তোরাঁ মালিকদের অভিযোগ, বিক্রির টাকা পেতেও ১৩
দিন বা তার বেশি
সময় লাগছে। এতে একদিকে বাড়ছে
ব্যবসার খরচ, অন্যদিকে সংকুচিত
হচ্ছে মুনাফা। এমন পরিস্থিতিতে ফুডপান্ডার
একতরফা ও অস্বচ্ছ ব্যবসায়িক
নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রামের রেস্তোরাঁ মালিকেরা।
তাদের
দাবি, কমিশনসহ সব ধরনের চার্জ
মিলিয়ে সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশের মধ্যে
রাখতে হবে। অন্যথায় চট্টগ্রাম
মহানগরের রেস্তোরাঁগুলোতে ফুডপান্ডার মাধ্যমে স্থায়ীভাবে অর্ডার গ্রহণ বন্ধ করে দেওয়ার
হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
রেস্তোরাঁ
মালিকদের অভিযোগ, ফুডপান্ডার সঙ্গে চুক্তিতে নির্ধারিত কমিশনের বাইরেও অনলাইন পেমেন্ট চার্জ, অপেক্ষার মাশুল, কমিশনের ওপর মূল্য সংযোজন
কর (ভ্যাট), ট্যাব ফি ও ইন্টারনেট
ফিসহ বিভিন্ন খাতে টাকা কেটে
নেওয়া হয়। ফলে কাগজে-কলমে বিক্রি ভালো
দেখালেও সব খরচ বাদ
দিয়ে হাতে থাকছে সামান্য
অর্থ। এসব চার্জের বিস্তারিত
হিসাবও সহজে বোঝা যায়
না বলে দাবি তাদের।
মালিকদের
ভাষ্য, মাস শেষে ফুডপান্ডার
পাঠানো হিসাব এতটাই জটিল যে কোন
খাতে কত টাকা কাটা
হয়েছে, তা বুঝতে হিমশিম
খেতে হয়। কোনো কোনো
ক্ষেত্রে হিসাবের খাত ও কর্তনের
কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায় না। এতে
নিজেদের বিক্রি, কমিশন ও প্রকৃত আয়
যাচাই করাও কঠিন হয়ে
পড়ে।
অর্ডার
বাতিলের লোকসান রেস্তোরাঁর, দায়ও তাদের
রেস্তোরাঁ
মালিকদের অভিযোগ, ফুডপান্ডার প্রযুক্তিগত সমস্যা কিংবা খাবার সরবরাহের ব্যবস্থাপনায় জটিলতার কারণে অর্ডার বাতিল হলেও এর আর্থিক
দায় নিতে হয় রেস্তোরাঁ
মালিকদের। একটি অর্ডার পাওয়ার
পর খাবার তৈরিতে কাঁচামাল, শ্রম ও সময়
ব্যয় হয়। কিন্তু খাবার
তৈরি হয়ে যাওয়ার পর
অর্ডার বাতিল হলে সেই খাবার
অন্য গ্রাহকের কাছে বিক্রি করা
সব সময় সম্ভব হয়
না। এতে খাবারের পুরো
খরচই লোকসানে পরিণত হতে পারে।
দেশীয়
প্ল্যাটফর্মের কমিশন ১৫ শতাংশ, প্রশ্ন
ফুডপান্ডাকে নিয়ে
সংবাদ
সম্মেলনে দেশীয় খাবার সরবরাহকারী প্ল্যাটফর্ম ফুডির উদাহরণ টেনে রেস্তোরাঁ মালিকেরা
বলেন, দেশীয় প্রতিষ্ঠান ১৫ শতাংশ সমন্বিত
কমিশনে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারলে ফুডপান্ডার
ক্ষেত্রে কমিশনের বাইরে এত ধরনের চার্জ
কেন থাকবে? তাদের দাবি, সব চার্জ কমিশনের
মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে সর্বোচ্চ ১৫
শতাংশ সমন্বিত কমিশন নির্ধারণ করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন