বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিলমাড়ীয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের নওসারা সুলতানপুর চরে সরেজমিনে নদীভাঙনের তীব্র চিত্র দেখা গেছে। কূলঘেঁষে তীরের মাটি ধসে পড়ার পাশাপাশি মুহূর্তের মধ্যেই আবাদি জমি নদীর স্রোতে তলিয়ে যাচ্ছে। আতঙ্কে স্থানীয় বাসিন্দারা নিজ উদ্যোগে ঘরবাড়ি ও প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র সরিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দা সাইদুল ইসলাম ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে বলেন, আমার নিজের ঘর নদীতে চলে গেছে। পরিবার নিয়ে পাশের চরে কোনোমতে আশ্রয় নিয়েছি। নতুন করে আবার ভাঙন শুরু হলে কোথায় যাব, তা বুঝতে পারছি না।
বিলমাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আনোয়ার হোসেন জানান, হঠাৎ পানি বৃদ্ধি ও তীব্র স্রোতের চাপে ভাঙন ব্যাপক রূপ নিয়েছে। ইতোমধ্যে ৩৫টি পরিবার নিঃস্ব হয়েছে এবং আরও শতাধিক পরিবার ঝুঁকিতে রয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে চরের বড় একটি অংশ নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে।
ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ছিদ্দিক আলী মিষ্টু এবং ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবীর হোসেন জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। সরকারিভাবে জরুরি ত্রাণ ও সার্বিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি নদীতীর রক্ষায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে নদীভাঙন অব্যাহত থাকায় চরাঞ্চলে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা শুধু সাময়িক ত্রাণ নয়, নদীভাঙন স্থায়ীভাবে ঠেকাতে দ্রুত নদীতীর সংরক্ষণ, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন এবং জরুরি খাদ্য ও আর্থিক সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিলমাড়ীয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের নওসারা সুলতানপুর চরে সরেজমিনে নদীভাঙনের তীব্র চিত্র দেখা গেছে। কূলঘেঁষে তীরের মাটি ধসে পড়ার পাশাপাশি মুহূর্তের মধ্যেই আবাদি জমি নদীর স্রোতে তলিয়ে যাচ্ছে। আতঙ্কে স্থানীয় বাসিন্দারা নিজ উদ্যোগে ঘরবাড়ি ও প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র সরিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দা সাইদুল ইসলাম ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে বলেন, আমার নিজের ঘর নদীতে চলে গেছে। পরিবার নিয়ে পাশের চরে কোনোমতে আশ্রয় নিয়েছি। নতুন করে আবার ভাঙন শুরু হলে কোথায় যাব, তা বুঝতে পারছি না।
বিলমাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আনোয়ার হোসেন জানান, হঠাৎ পানি বৃদ্ধি ও তীব্র স্রোতের চাপে ভাঙন ব্যাপক রূপ নিয়েছে। ইতোমধ্যে ৩৫টি পরিবার নিঃস্ব হয়েছে এবং আরও শতাধিক পরিবার ঝুঁকিতে রয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে চরের বড় একটি অংশ নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে।
ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ছিদ্দিক আলী মিষ্টু এবং ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবীর হোসেন জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। সরকারিভাবে জরুরি ত্রাণ ও সার্বিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি নদীতীর রক্ষায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে নদীভাঙন অব্যাহত থাকায় চরাঞ্চলে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা শুধু সাময়িক ত্রাণ নয়, নদীভাঙন স্থায়ীভাবে ঠেকাতে দ্রুত নদীতীর সংরক্ষণ, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন এবং জরুরি খাদ্য ও আর্থিক সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন