ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তার পারিবারিক একটি বিরোধ চলছিল। বিষয়টি মীমাংসার জন্য তিনি সমাজ কমিটির সভাপতি সিকান্দার আলীর কাছে যান। তিনি সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় বিরোধটির সুষ্ঠু নিষ্পত্তি করে দেওয়ার আশ্বাস দেন বলে অভিযোগ করেন ওই নারী।
অভিযোগ রয়েছে, বিচার-মীমাংসা করে দেওয়ার কথা বলে সিকান্দার আলী ওই নারীকে কক্সবাজার শহরের বাস টার্মিনাল এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে যেতে বলেন। নির্ধারিত সময়ে ওই নারী সেখানে গেলে তাকে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়া হয় এবং ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
পরবর্তীতে বিষয়টি স্থানীয়দের অবহিত করেন ভুক্তভোগী নারী। ঘটনা জানাজানি হলে খুরুশকুল এলাকায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। স্থানীয় সচেতন মহল অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে সিকান্দার আলী বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, এটি তার বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। রাজনৈতিক ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে একটি পক্ষ তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট অপপ্রচার চালাচ্ছে।
ঘটনার বিষয়ে রুহুলার ডেইল কেন্দ্রীয় মসজিদ সমাজ কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল খায়ের বলেন, এ বিষয়ে ওই নারীর স্বামী আমাদের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। আমরা বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করছি। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের কিছুটা সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে সমাজের সবাইকে ডেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনার বিষয়ে খুরুশকুল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন বলেন, ঘটনার বিষয়টি আমরা মৌখিকভাবে শুনেছি এবং অনলাইন যোগাযোগমাধ্যমেও অভিযোগটি দেখেছি। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে এবং এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেলে সিকান্দার আলীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগের বিষয়ে সমাজ কমিটির তদন্ত এবং বিএনপির পক্ষ থেকে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণার পর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আরও আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযোগের পূর্ণ সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্টদের তদন্ত শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তার পারিবারিক একটি বিরোধ চলছিল। বিষয়টি মীমাংসার জন্য তিনি সমাজ কমিটির সভাপতি সিকান্দার আলীর কাছে যান। তিনি সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় বিরোধটির সুষ্ঠু নিষ্পত্তি করে দেওয়ার আশ্বাস দেন বলে অভিযোগ করেন ওই নারী।
অভিযোগ রয়েছে, বিচার-মীমাংসা করে দেওয়ার কথা বলে সিকান্দার আলী ওই নারীকে কক্সবাজার শহরের বাস টার্মিনাল এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে যেতে বলেন। নির্ধারিত সময়ে ওই নারী সেখানে গেলে তাকে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়া হয় এবং ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
পরবর্তীতে বিষয়টি স্থানীয়দের অবহিত করেন ভুক্তভোগী নারী। ঘটনা জানাজানি হলে খুরুশকুল এলাকায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। স্থানীয় সচেতন মহল অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে সিকান্দার আলী বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, এটি তার বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। রাজনৈতিক ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে একটি পক্ষ তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট অপপ্রচার চালাচ্ছে।
ঘটনার বিষয়ে রুহুলার ডেইল কেন্দ্রীয় মসজিদ সমাজ কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল খায়ের বলেন, এ বিষয়ে ওই নারীর স্বামী আমাদের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। আমরা বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করছি। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের কিছুটা সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে সমাজের সবাইকে ডেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনার বিষয়ে খুরুশকুল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন বলেন, ঘটনার বিষয়টি আমরা মৌখিকভাবে শুনেছি এবং অনলাইন যোগাযোগমাধ্যমেও অভিযোগটি দেখেছি। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে এবং এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেলে সিকান্দার আলীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগের বিষয়ে সমাজ কমিটির তদন্ত এবং বিএনপির পক্ষ থেকে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণার পর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আরও আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযোগের পূর্ণ সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্টদের তদন্ত শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন