জাতীয় সাপ্তাহিক সময়ের প্রয়াস

আগামীতে বিচারকদের মতো শিক্ষকদেরও পৃথক পে-স্কেল, ইঙ্গিত শিক্ষামন্ত্রীর


প্রকাশ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

আগামীতে বিচারকদের মতো শিক্ষকদেরও পৃথক পে-স্কেল, ইঙ্গিত শিক্ষামন্ত্রীর

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ১১ বছর পর পে-স্কেল হতে যাচ্ছে। যদিও নতুন বেতন কাঠামোতে মূল্যস্ফীতির সঙ্গে যথাযথ সমন্বয় হয়নি। এটা নিয়ে ক্যাবিনেটেও আলোচনা হয়েছে। তারপরও ভবিষ্যতে বিচার বিভাগের মতো শিক্ষকদের জন্যও আলাদা পে-স্কেল নিয়ে ভবিষ্যতে চিন্তাভাবনার আছে।


আজ রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত প্রথম স্টিয়ারিং কমিটির সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।


শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘পে-স্কেল ১১ বছর পর হতে যাচ্ছে। হঠাৎ করে এটি কিন্তু ইনফ্লেশনের সঙ্গে অ্যাডজাস্টমেন্ট হয়নি। এই উপলব্ধি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছিল এবং আমরা ক্যাবিনেট মিটিংয়েও তা দেখেছি।’


তিনি বলেন, ‘সেই জায়গা থেকে আমরা আগামী দিনের চিন্তা করছি। যেভাবে বিচার বিভাগে আলাদা পে-স্কেল রয়েছে, তেমনিভাবে আমরাও একটি চিন্তাভাবনা করছি। কিন্তু সেটা এত অল্প সময়ের মধ্যে এত বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া একটি রাজনৈতিক সরকার পারছে না; এটা আপনারাও নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন। ইনশাআল্লাহ, আমরা সেদিকেই এগোব।’

শিক্ষকরা ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। আর আমরা সেই ভোগান্তি থেকে উত্তরণের জন্যই কাজ করছি।


ড. মিলন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ইতিমধ্যে শিক্ষকদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ ট্রাস্টের যে ব্যবস্থা আমরা করেছি, এটি একটি যুগান্তকারী ব্যবস্থা। আমরা ২০২৬ সালের ৮ আগস্ট পর্যন্ত ২০২১ সাল থেকে শিক্ষকদের বকেয়া নিজ কন্ট্রিবিউশনের অংশ ইতিমধ্যে তুলে দিয়েছি। বাকি অংশ সরকারের পক্ষ থেকে যা করার, আমরা সমন্বয়ের মাধ্যমে সেদিকে এগিয়ে যাচ্ছি।


আমি আশা করছি, আগামী বাজেটগুলো পাওয়ার মধ্য দিয়ে শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের এই সমস্যার নিরসন হবে। এটি শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের একটি সমস্যা ছিল, আমরা সেটি এড্রেস করেছি।

৫ অক্টোবর শিক্ষক দিবসের সম্মাননা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো ১০০ জন শিক্ষককে নির্বাচন করা এবং প্রত্যেক শিক্ষককে এক লাখ টাকা করে মোট এক কোটি টাকার অনুদানের ব্যবস্থা করা। যারা ভালো কাজ করেছেন, তাদের ভালো কাজের স্বীকৃতি দেওয়া, পুরস্কৃত করা এবং উৎসাহিত করা—এটি আমাদের দায়িত্ব।


তিনি বলেন, বিগত সরকারের সময়ে মাত্র ১২ জন শিক্ষককে দুই লাখ টাকা করে মোট ২৪ লাখ টাকা দেওয়া হতো। আমরা শিক্ষকদের মর্যাদা, সহযোগিতা এবং তাদের কাজের স্বীকৃতি দিতে চাই। এটি আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা। সে অনুযায়ী আজ আমরা আমাদের কমিটির সদস্যদের নিয়ে, আমাদের ভিসিগণ এবং ইউজিসি চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে একটি নীতিমালা চূড়ান্ত করব।

আপনার মতামত লিখুন

জাতীয় সাপ্তাহিক সময়ের প্রয়াস

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


আগামীতে বিচারকদের মতো শিক্ষকদেরও পৃথক পে-স্কেল, ইঙ্গিত শিক্ষামন্ত্রীর

প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ১১ বছর পর পে-স্কেল হতে যাচ্ছে। যদিও নতুন বেতন কাঠামোতে মূল্যস্ফীতির সঙ্গে যথাযথ সমন্বয় হয়নি। এটা নিয়ে ক্যাবিনেটেও আলোচনা হয়েছে। তারপরও ভবিষ্যতে বিচার বিভাগের মতো শিক্ষকদের জন্যও আলাদা পে-স্কেল নিয়ে ভবিষ্যতে চিন্তাভাবনার আছে।


আজ রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত প্রথম স্টিয়ারিং কমিটির সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।


শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘পে-স্কেল ১১ বছর পর হতে যাচ্ছে। হঠাৎ করে এটি কিন্তু ইনফ্লেশনের সঙ্গে অ্যাডজাস্টমেন্ট হয়নি। এই উপলব্ধি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছিল এবং আমরা ক্যাবিনেট মিটিংয়েও তা দেখেছি।’


তিনি বলেন, ‘সেই জায়গা থেকে আমরা আগামী দিনের চিন্তা করছি। যেভাবে বিচার বিভাগে আলাদা পে-স্কেল রয়েছে, তেমনিভাবে আমরাও একটি চিন্তাভাবনা করছি। কিন্তু সেটা এত অল্প সময়ের মধ্যে এত বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া একটি রাজনৈতিক সরকার পারছে না; এটা আপনারাও নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন। ইনশাআল্লাহ, আমরা সেদিকেই এগোব।’

শিক্ষকরা ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। আর আমরা সেই ভোগান্তি থেকে উত্তরণের জন্যই কাজ করছি।


ড. মিলন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ইতিমধ্যে শিক্ষকদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ ট্রাস্টের যে ব্যবস্থা আমরা করেছি, এটি একটি যুগান্তকারী ব্যবস্থা। আমরা ২০২৬ সালের ৮ আগস্ট পর্যন্ত ২০২১ সাল থেকে শিক্ষকদের বকেয়া নিজ কন্ট্রিবিউশনের অংশ ইতিমধ্যে তুলে দিয়েছি। বাকি অংশ সরকারের পক্ষ থেকে যা করার, আমরা সমন্বয়ের মাধ্যমে সেদিকে এগিয়ে যাচ্ছি।


আমি আশা করছি, আগামী বাজেটগুলো পাওয়ার মধ্য দিয়ে শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের এই সমস্যার নিরসন হবে। এটি শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের একটি সমস্যা ছিল, আমরা সেটি এড্রেস করেছি।

৫ অক্টোবর শিক্ষক দিবসের সম্মাননা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো ১০০ জন শিক্ষককে নির্বাচন করা এবং প্রত্যেক শিক্ষককে এক লাখ টাকা করে মোট এক কোটি টাকার অনুদানের ব্যবস্থা করা। যারা ভালো কাজ করেছেন, তাদের ভালো কাজের স্বীকৃতি দেওয়া, পুরস্কৃত করা এবং উৎসাহিত করা—এটি আমাদের দায়িত্ব।


তিনি বলেন, বিগত সরকারের সময়ে মাত্র ১২ জন শিক্ষককে দুই লাখ টাকা করে মোট ২৪ লাখ টাকা দেওয়া হতো। আমরা শিক্ষকদের মর্যাদা, সহযোগিতা এবং তাদের কাজের স্বীকৃতি দিতে চাই। এটি আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা। সে অনুযায়ী আজ আমরা আমাদের কমিটির সদস্যদের নিয়ে, আমাদের ভিসিগণ এবং ইউজিসি চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে একটি নীতিমালা চূড়ান্ত করব।


জাতীয় সাপ্তাহিক সময়ের প্রয়াস

সম্পাদক ও প্রকাশক- মুহাম্মদ হোছাইন চৌধুরী
কপিরাইট © ২০২৬ জাতীয় সাপ্তাহিক সময়ের প্রয়াস । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত