আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার টইটং ইউনিয়নে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেতে তৎপরতা শুরু করেছেন সাত নেতা। পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামীর সম্ভাব্য একক প্রার্থী এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীকে ঘিরেও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। সব মিলিয়ে টইটং ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী নিয়ে নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা হিসাব-নিকাশ।
টইটং ইউনিয়নে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন টইটং ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মাস্টার জয়নাল আবেদীন, পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান মোসলেম উদ্দিন, টইটং ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাস্টার মোহাম্মদ ইউসুফ, টইটং ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আজিম চৌধুরী, টইটং ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি হোছাইন চৌধুরী, সাবেক ইউপি সদস্য ও পেকুয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সহসভাপতি শাহদাত হোসেন চৌধুরী এবং টইটং ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সভাপতি টইটং ইউনিয়ন ছাত্রদল অ্যাডভোকেট ইমরান সাইফুল।
দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতারা দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ও তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগকে গুরুত্ব দিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরছেন। কেউ কেউ স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় এবং গণসংযোগ বাড়িয়েছেন।
মনোনয়নপ্রত্যাশীদের অনুসারীদের দাবি, টইটং ইউনিয়নের রাজনৈতিক বাস্তবতা ও তৃণমূলের মতামত বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘদিন দলের জন্য কাজ করেছেন এবং এলাকায় গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে এমন নেতাকেই দলীয় মনোনয়ন দেওয়া উচিত।
অন্যদিকে টইটং ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামী থেকে মাওলানা হাসান শরীফকে একক প্রার্থী হিসেবে নিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনা রয়েছে। পাশাপাশি মাস্টার জাহেদ উল্লাহ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন বলেও আলোচনা চলছে।
এতে বিএনপির সাত মনোনয়নপ্রত্যাশীর পাশাপাশি জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিষয়টি সামনে আসায় টইটং ইউনিয়নের নির্বাচনী মাঠে সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বিতার চিত্র নিয়ে আলোচনা আরও বেড়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন ভোটার বলেন, তাঁরা এমন একজন চেয়ারম্যান প্রার্থী চান, যিনি শুধু নির্বাচনের সময় ভোট চাইতে নয়, সারা বছর সাধারণ মানুষের পাশে থাকবেন। এলাকার রাস্তাঘাট, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পানি ও নাগরিক সমস্যাগুলো নিয়ে কাজ করবেন। দলীয় পরিচয়ের পাশাপাশি সৎ, যোগ্য ও সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকেই তাঁরা প্রাধান্য দিতে চান।
এদিকে বিএনপির সাত নেতার মনোনয়ন চাওয়ার বিষয়টি স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে কে দলীয় মনোনয়ন পেতে পারেন, তা নিয়ে চলছে আলোচনা। অন্যদিকে জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মাঠে থাকলে নির্বাচনী সমীকরণ কী দাঁড়াবে, সেটিও ভাবছেন স্থানীয় ভোটাররা।
তবে শেষ পর্যন্ত দলীয় সিদ্ধান্তে বিএনপির মনোনয়ন কে পাচ্ছেন, জামায়াতের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত প্রার্থী কে হচ্ছেন এবং মাস্টার জাহেদ উল্লাহ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে থাকছেন কি না এসব বিষয় পরিষ্কার হবে সংশ্লিষ্ট দল ও প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের পর। এখন পর্যন্ত টইটং ইউনিয়নের রাজনৈতিক মাঠে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে চলছে আলোচনা ও অপেক্ষা।

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার টইটং ইউনিয়নে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেতে তৎপরতা শুরু করেছেন সাত নেতা। পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামীর সম্ভাব্য একক প্রার্থী এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীকে ঘিরেও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। সব মিলিয়ে টইটং ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী নিয়ে নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা হিসাব-নিকাশ।
টইটং ইউনিয়নে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন টইটং ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মাস্টার জয়নাল আবেদীন, পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান মোসলেম উদ্দিন, টইটং ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাস্টার মোহাম্মদ ইউসুফ, টইটং ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আজিম চৌধুরী, টইটং ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি হোছাইন চৌধুরী, সাবেক ইউপি সদস্য ও পেকুয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সহসভাপতি শাহদাত হোসেন চৌধুরী এবং টইটং ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সভাপতি টইটং ইউনিয়ন ছাত্রদল অ্যাডভোকেট ইমরান সাইফুল।
দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতারা দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ও তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগকে গুরুত্ব দিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরছেন। কেউ কেউ স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় এবং গণসংযোগ বাড়িয়েছেন।
মনোনয়নপ্রত্যাশীদের অনুসারীদের দাবি, টইটং ইউনিয়নের রাজনৈতিক বাস্তবতা ও তৃণমূলের মতামত বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘদিন দলের জন্য কাজ করেছেন এবং এলাকায় গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে এমন নেতাকেই দলীয় মনোনয়ন দেওয়া উচিত।
অন্যদিকে টইটং ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামী থেকে মাওলানা হাসান শরীফকে একক প্রার্থী হিসেবে নিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনা রয়েছে। পাশাপাশি মাস্টার জাহেদ উল্লাহ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন বলেও আলোচনা চলছে।
এতে বিএনপির সাত মনোনয়নপ্রত্যাশীর পাশাপাশি জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিষয়টি সামনে আসায় টইটং ইউনিয়নের নির্বাচনী মাঠে সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বিতার চিত্র নিয়ে আলোচনা আরও বেড়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন ভোটার বলেন, তাঁরা এমন একজন চেয়ারম্যান প্রার্থী চান, যিনি শুধু নির্বাচনের সময় ভোট চাইতে নয়, সারা বছর সাধারণ মানুষের পাশে থাকবেন। এলাকার রাস্তাঘাট, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পানি ও নাগরিক সমস্যাগুলো নিয়ে কাজ করবেন। দলীয় পরিচয়ের পাশাপাশি সৎ, যোগ্য ও সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকেই তাঁরা প্রাধান্য দিতে চান।
এদিকে বিএনপির সাত নেতার মনোনয়ন চাওয়ার বিষয়টি স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে কে দলীয় মনোনয়ন পেতে পারেন, তা নিয়ে চলছে আলোচনা। অন্যদিকে জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মাঠে থাকলে নির্বাচনী সমীকরণ কী দাঁড়াবে, সেটিও ভাবছেন স্থানীয় ভোটাররা।
তবে শেষ পর্যন্ত দলীয় সিদ্ধান্তে বিএনপির মনোনয়ন কে পাচ্ছেন, জামায়াতের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত প্রার্থী কে হচ্ছেন এবং মাস্টার জাহেদ উল্লাহ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে থাকছেন কি না এসব বিষয় পরিষ্কার হবে সংশ্লিষ্ট দল ও প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের পর। এখন পর্যন্ত টইটং ইউনিয়নের রাজনৈতিক মাঠে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে চলছে আলোচনা ও অপেক্ষা।

আপনার মতামত লিখুন