নাটোরের লালপুরে বাড়ির পাশের পুকুরে ডুবে আপন দুই ভাই-বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টা ৫ মিনিটে উপজেলার ঈশোরপাড়া গ্রামে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলো—আতিয়ার (৯) ও আবু বক্কর (৬)। তারা একই গ্রামের আতিকুল ইসলামের সন্তান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলের দিকে বাড়ির পাশেই খেলছিল দুই ভাই-বোন। একপর্যায়ে সবার অগোচরে তারা পাশের পুকুরে নেমে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে তাদের দেখা না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে পুকুরে তল্লাশি চালিয়ে দুই শিশুকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
তাদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসার চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া না পেয়ে নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়। তবে শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার আগেই দুই শিশুর মৃত্যু নিশ্চিত হয় বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রতিবেশীরা জানান, দুই ভাই-বোন একসাথে খেলাধুলা করত এবং খুবই চঞ্চল স্বভাবের ছিল। তাদের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো গ্রাম স্তব্ধ হয়ে গেছে।
নিহতদের বাবা আতিকুল ইসলাম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার দুইটা সন্তান একসাথে হারাইলাম। ওরা খেলতে গেছিল, আমরা বুঝতেই পারি নাই কখন পুকুরে নামছে। আমি এখন কিভাবে বাঁচবো!”—এ সময় তিনি বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন।
এ বিষয়ে লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, খেলতে গিয়ে অসাবধানতাবশত পানিতে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত কোনো জটিলতা না থাকায় পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।”

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নাটোরের লালপুরে বাড়ির পাশের পুকুরে ডুবে আপন দুই ভাই-বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টা ৫ মিনিটে উপজেলার ঈশোরপাড়া গ্রামে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলো—আতিয়ার (৯) ও আবু বক্কর (৬)। তারা একই গ্রামের আতিকুল ইসলামের সন্তান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলের দিকে বাড়ির পাশেই খেলছিল দুই ভাই-বোন। একপর্যায়ে সবার অগোচরে তারা পাশের পুকুরে নেমে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে তাদের দেখা না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে পুকুরে তল্লাশি চালিয়ে দুই শিশুকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
তাদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসার চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া না পেয়ে নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়। তবে শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার আগেই দুই শিশুর মৃত্যু নিশ্চিত হয় বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রতিবেশীরা জানান, দুই ভাই-বোন একসাথে খেলাধুলা করত এবং খুবই চঞ্চল স্বভাবের ছিল। তাদের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো গ্রাম স্তব্ধ হয়ে গেছে।
নিহতদের বাবা আতিকুল ইসলাম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার দুইটা সন্তান একসাথে হারাইলাম। ওরা খেলতে গেছিল, আমরা বুঝতেই পারি নাই কখন পুকুরে নামছে। আমি এখন কিভাবে বাঁচবো!”—এ সময় তিনি বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন।
এ বিষয়ে লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, খেলতে গিয়ে অসাবধানতাবশত পানিতে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত কোনো জটিলতা না থাকায় পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।”

আপনার মতামত লিখুন