শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের মাঝে নগদ অর্থ ও শাড়ি বিতরণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে এবং তাঁর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাত হোসেন স্বাধীনের নির্দেশনায় এ উপহার বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। দুর্গাপূজার আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়া, ধর্মীয় উৎসবে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে আয়োজকরা জানান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপির নেতা মোহাম্মদ আনোয়ার, মোহাম্মদ জামি, মোহাম্মদ শরিফসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপির নেতা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, ধর্ম যার যার, বাংলাদেশ সবার। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আমাদের ঐতিহ্য। প্রত্যেক ধর্মের মানুষ যেন নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব আনন্দ ও উৎসাহের সঙ্গে উদযাপন করতে পারেন, সেটিই আমাদের প্রত্যাশা। আমরা সবসময় মানুষের পাশে থাকতে চাই। সমাজে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, ভালোবাসা ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় হোক—এটাই আমাদের কামনা।
তিনি আরও বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলেমিশে বসবাসের মাধ্যমে একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতিময় বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
ধর্ম যার যার, বাংলাদেশ সবার—সবার আগে বাংলাদেশ স্লোগানকে সামনে রেখে সব ধর্মের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বজায় রাখার প্রত্যয়ে এ উপহার বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের মাঝে নগদ অর্থ ও শাড়ি বিতরণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে এবং তাঁর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাত হোসেন স্বাধীনের নির্দেশনায় এ উপহার বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। দুর্গাপূজার আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়া, ধর্মীয় উৎসবে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে আয়োজকরা জানান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপির নেতা মোহাম্মদ আনোয়ার, মোহাম্মদ জামি, মোহাম্মদ শরিফসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপির নেতা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, ধর্ম যার যার, বাংলাদেশ সবার। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আমাদের ঐতিহ্য। প্রত্যেক ধর্মের মানুষ যেন নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব আনন্দ ও উৎসাহের সঙ্গে উদযাপন করতে পারেন, সেটিই আমাদের প্রত্যাশা। আমরা সবসময় মানুষের পাশে থাকতে চাই। সমাজে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, ভালোবাসা ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় হোক—এটাই আমাদের কামনা।
তিনি আরও বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলেমিশে বসবাসের মাধ্যমে একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতিময় বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
ধর্ম যার যার, বাংলাদেশ সবার—সবার আগে বাংলাদেশ স্লোগানকে সামনে রেখে সব ধর্মের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বজায় রাখার প্রত্যয়ে এ উপহার বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন