চট্টগ্রামের নতুন ব্রিজ–কালুরঘাট সড়কে সাইকেলিং করতে গিয়ে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ার আশঙ্কাজনক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন এভারেস্টজয়ী পর্বতারোহী বাবর আলী। সকালে সাইকেল নিয়ে বের হয়ে কল্পলোক আবাসিক এলাকার কাছে তিনজন সন্দেহভাজন যুবকের গতিবিধি নজরে আসে তাঁর। পরে আরও দুজনসহ মোট পাঁচজন তাঁদের অনুসরণ করতে শুরু করেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন বাবর আলী।
বাবর আলী জানান, সকালে তিনি ও তাঁর সঙ্গী ইরফান সাইকেল নিয়ে নতুন ব্রিজ–কালুরঘাট সড়কে যান। কল্পলোক আবাসিক এলাকা দিয়ে প্রবেশের পর ওয়ার্ম-আপের জন্য সড়কের নিচে নদীর পাড়ে কংক্রিটের ব্লকের কাছে নামেন তাঁরা। এ সময় রেলিংয়ের কাছে তিনজনকে ঘোরাফেরা করতে দেখেন। তাঁদের মধ্যে একজনের বয়স আনুমানিক ৩০ বছর এবং অন্য দুজন কিশোর বলে ধারণা করেন তিনি।
তাঁদের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় নিচে অবস্থান না করে সাইকেল নিয়ে সড়কের ওপর উঠে আসেন বাবর আলী ও ইরফান। সড়কে লোকজনের চলাচল থাকায় কিছুটা স্বস্তি পেলেও সাইকেল রেখে দূরে যাওয়ার পরিকল্পনা বাদ দেন তাঁরা।
একপর্যায়ে ওই তিনজনের সঙ্গে আরও দুজনকে দেখতে পান তাঁরা। পরে তিনজন তাঁদের সামনের দিকে অবস্থান নেন এবং অন্য দুজন পেছনের দিকে চলে যান। পরিস্থিতি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় বাবর আলী ও তাঁর সঙ্গী সামনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকেন।
বাবর আলী জানান, কিছুক্ষণ পর তাঁরা বুঝতে পারেন, সন্দেহভাজন ব্যক্তিরা তাঁদের অনুসরণ করছেন। এ সময় সড়কে লোকজনের চলাচলও কমে আসে। পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরে নালার পাশের রাস্তা দিয়ে কল্পলোক আবাসিক এলাকার ভেতরে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন তাঁরা।
পেছনে তাকিয়ে দেখতে পান, ওই ব্যক্তিরা তাঁদের দিকে দ্রুত এগিয়ে আসছেন। তখন ইরফান নিজের মোবাইল ফোন ও হ্যান্ডহেল্ড ক্যামেরা বাবর আলীর হাতে দিয়ে তাঁকে দ্রুত সাইকেল চালিয়ে সামনে চলে যেতে বলেন। এদিকে পেছনে থাকা ব্যক্তিরাও দৌড়াতে শুরু করেন এবং হাঁকডাক করতে থাকেন।
বাবর আলী দ্রুত সাইকেল চালিয়ে সামনে এগিয়ে যান। পরে ইরফানও দৌড়ে তাঁর কাছে পৌঁছান। তাঁদের মোবাইল ফোন হস্তান্তরের বিষয়টি সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের কেউ দেখে ফেলায় তাঁরা আর বেশিদূর ধাওয়া করেননি বলে জানান বাবর আলী।
ঘটনা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন উল্লেখ করে বাবর আলী বলেন, একা থাকলে তাঁর সাইকেল ও মোবাইল ফোন খোয়াতে হতে পারত বলে তিনি মনে করেন।
এ ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ থাকলেও ওই এলাকায় যাঁরা দৌড়াতে বা প্রাতর্ভ্রমণে যান, তাঁদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। একা না গিয়ে দলবদ্ধভাবে যাওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন এই পর্বতারোহী।
বাবর আলীর সতর্কবার্তা: নতুন ব্রিজ–কালুরঘাট সড়ক এলাকায় দৌড়াতে বা প্রাতর্ভ্রমণে গেলে আশপাশের পরিবেশ ও সন্দেহজনক ব্যক্তিদের গতিবিধির দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। নিরাপত্তার স্বার্থে একা না গিয়ে দলবদ্ধভাবে চলাচল করাই ভালো।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
চট্টগ্রামের নতুন ব্রিজ–কালুরঘাট সড়কে সাইকেলিং করতে গিয়ে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ার আশঙ্কাজনক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন এভারেস্টজয়ী পর্বতারোহী বাবর আলী। সকালে সাইকেল নিয়ে বের হয়ে কল্পলোক আবাসিক এলাকার কাছে তিনজন সন্দেহভাজন যুবকের গতিবিধি নজরে আসে তাঁর। পরে আরও দুজনসহ মোট পাঁচজন তাঁদের অনুসরণ করতে শুরু করেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন বাবর আলী।
বাবর আলী জানান, সকালে তিনি ও তাঁর সঙ্গী ইরফান সাইকেল নিয়ে নতুন ব্রিজ–কালুরঘাট সড়কে যান। কল্পলোক আবাসিক এলাকা দিয়ে প্রবেশের পর ওয়ার্ম-আপের জন্য সড়কের নিচে নদীর পাড়ে কংক্রিটের ব্লকের কাছে নামেন তাঁরা। এ সময় রেলিংয়ের কাছে তিনজনকে ঘোরাফেরা করতে দেখেন। তাঁদের মধ্যে একজনের বয়স আনুমানিক ৩০ বছর এবং অন্য দুজন কিশোর বলে ধারণা করেন তিনি।
তাঁদের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় নিচে অবস্থান না করে সাইকেল নিয়ে সড়কের ওপর উঠে আসেন বাবর আলী ও ইরফান। সড়কে লোকজনের চলাচল থাকায় কিছুটা স্বস্তি পেলেও সাইকেল রেখে দূরে যাওয়ার পরিকল্পনা বাদ দেন তাঁরা।
একপর্যায়ে ওই তিনজনের সঙ্গে আরও দুজনকে দেখতে পান তাঁরা। পরে তিনজন তাঁদের সামনের দিকে অবস্থান নেন এবং অন্য দুজন পেছনের দিকে চলে যান। পরিস্থিতি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় বাবর আলী ও তাঁর সঙ্গী সামনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকেন।
বাবর আলী জানান, কিছুক্ষণ পর তাঁরা বুঝতে পারেন, সন্দেহভাজন ব্যক্তিরা তাঁদের অনুসরণ করছেন। এ সময় সড়কে লোকজনের চলাচলও কমে আসে। পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরে নালার পাশের রাস্তা দিয়ে কল্পলোক আবাসিক এলাকার ভেতরে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন তাঁরা।
পেছনে তাকিয়ে দেখতে পান, ওই ব্যক্তিরা তাঁদের দিকে দ্রুত এগিয়ে আসছেন। তখন ইরফান নিজের মোবাইল ফোন ও হ্যান্ডহেল্ড ক্যামেরা বাবর আলীর হাতে দিয়ে তাঁকে দ্রুত সাইকেল চালিয়ে সামনে চলে যেতে বলেন। এদিকে পেছনে থাকা ব্যক্তিরাও দৌড়াতে শুরু করেন এবং হাঁকডাক করতে থাকেন।
বাবর আলী দ্রুত সাইকেল চালিয়ে সামনে এগিয়ে যান। পরে ইরফানও দৌড়ে তাঁর কাছে পৌঁছান। তাঁদের মোবাইল ফোন হস্তান্তরের বিষয়টি সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের কেউ দেখে ফেলায় তাঁরা আর বেশিদূর ধাওয়া করেননি বলে জানান বাবর আলী।
ঘটনা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন উল্লেখ করে বাবর আলী বলেন, একা থাকলে তাঁর সাইকেল ও মোবাইল ফোন খোয়াতে হতে পারত বলে তিনি মনে করেন।
এ ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ থাকলেও ওই এলাকায় যাঁরা দৌড়াতে বা প্রাতর্ভ্রমণে যান, তাঁদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। একা না গিয়ে দলবদ্ধভাবে যাওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন এই পর্বতারোহী।
বাবর আলীর সতর্কবার্তা: নতুন ব্রিজ–কালুরঘাট সড়ক এলাকায় দৌড়াতে বা প্রাতর্ভ্রমণে গেলে আশপাশের পরিবেশ ও সন্দেহজনক ব্যক্তিদের গতিবিধির দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। নিরাপত্তার স্বার্থে একা না গিয়ে দলবদ্ধভাবে চলাচল করাই ভালো।

আপনার মতামত লিখুন