বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় উখিয়া উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এ উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশরাফুল আলম সিরাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের জুনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার ফ্লোরা তিথি চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) গুলশান আক্তার। তিনি বলেন, শিশুদের পড়ালেখার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে শুধু শ্রেণিকক্ষের প্রচলিত পাঠদান যথেষ্ট নয়। আনন্দময় ও অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে শিশুদের শেখার সুযোগ তৈরি করতে হবে। পঠন উৎসবের মতো আয়োজন শিশুদের বই পড়া, গল্প শোনা এবং নিজেদের প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ করে দেয়। এতে তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ার পাশাপাশি পড়াশোনার প্রতি ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হবে।
উৎসবে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। কেউ আবৃত্তি করে মুগ্ধ করেছে, আবার কেউ গল্প বলার মাধ্যমে নিজের সৃজনশীলতা তুলে ধরেছে। দলীয় নৃত্য ও কুইজ প্রতিযোগিতাতেও শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ দেখা যায়। বিভিন্ন ইভেন্টে প্রতিযোগিতার পাশাপাশি একে অপরের কাছ থেকে শেখার সুযোগও তৈরি হয়।
বক্তারা বলেন, শিশুদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা, পঠন দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষাকে আনন্দময় করে তুলতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে প্রাথমিক পর্যায়ে পড়াশোনাকে কেবল পরীক্ষাকেন্দ্রিক না রেখে বিভিন্ন সৃজনশীল ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করলে শিক্ষার্থীদের শেখার আগ্রহ বাড়ে।
ওয়ার্ল্ড ভিশন সূত্রে জানা যায়, উখিয়া উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার প্রতি আরও বেশি আগ্রহী করে তুলতে আবৃত্তি, নৃত্য, গল্প বলা ও কুইজসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়েছে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে শিশুদের পঠন দক্ষতা, সৃজনশীলতা, আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে সহায়তা করাই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মো. বদরুল আলম, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ উখিয়ার সিনিয়র ম্যানেজার রোনাল্ড প্রবীর চিসিক, এডুকেশন স্পেশালিস্ট তপতি রানী সরকার, রাজাপালং এরিয়ার প্রোগ্রাম অফিসার ক্রিস্টোফার কুইয়া এবং জালিয়াপালং এরিয়ার সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার লরেন্স মণ্ডল।
উৎসবের বিভিন্ন পর্বে শিক্ষক, আয়োজক ও অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠানস্থল হয়ে ওঠে উৎসবমুখর। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের আয়োজনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে শিশুদের মধ্যে বই পড়া ও শেখার প্রতি আগ্রহ আরও বাড়বে।

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় উখিয়া উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এ উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশরাফুল আলম সিরাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের জুনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার ফ্লোরা তিথি চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) গুলশান আক্তার। তিনি বলেন, শিশুদের পড়ালেখার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে শুধু শ্রেণিকক্ষের প্রচলিত পাঠদান যথেষ্ট নয়। আনন্দময় ও অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে শিশুদের শেখার সুযোগ তৈরি করতে হবে। পঠন উৎসবের মতো আয়োজন শিশুদের বই পড়া, গল্প শোনা এবং নিজেদের প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ করে দেয়। এতে তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ার পাশাপাশি পড়াশোনার প্রতি ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হবে।
উৎসবে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। কেউ আবৃত্তি করে মুগ্ধ করেছে, আবার কেউ গল্প বলার মাধ্যমে নিজের সৃজনশীলতা তুলে ধরেছে। দলীয় নৃত্য ও কুইজ প্রতিযোগিতাতেও শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ দেখা যায়। বিভিন্ন ইভেন্টে প্রতিযোগিতার পাশাপাশি একে অপরের কাছ থেকে শেখার সুযোগও তৈরি হয়।
বক্তারা বলেন, শিশুদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা, পঠন দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষাকে আনন্দময় করে তুলতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে প্রাথমিক পর্যায়ে পড়াশোনাকে কেবল পরীক্ষাকেন্দ্রিক না রেখে বিভিন্ন সৃজনশীল ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করলে শিক্ষার্থীদের শেখার আগ্রহ বাড়ে।
ওয়ার্ল্ড ভিশন সূত্রে জানা যায়, উখিয়া উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার প্রতি আরও বেশি আগ্রহী করে তুলতে আবৃত্তি, নৃত্য, গল্প বলা ও কুইজসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়েছে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে শিশুদের পঠন দক্ষতা, সৃজনশীলতা, আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে সহায়তা করাই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মো. বদরুল আলম, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ উখিয়ার সিনিয়র ম্যানেজার রোনাল্ড প্রবীর চিসিক, এডুকেশন স্পেশালিস্ট তপতি রানী সরকার, রাজাপালং এরিয়ার প্রোগ্রাম অফিসার ক্রিস্টোফার কুইয়া এবং জালিয়াপালং এরিয়ার সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার লরেন্স মণ্ডল।
উৎসবের বিভিন্ন পর্বে শিক্ষক, আয়োজক ও অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠানস্থল হয়ে ওঠে উৎসবমুখর। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের আয়োজনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে শিশুদের মধ্যে বই পড়া ও শেখার প্রতি আগ্রহ আরও বাড়বে।

আপনার মতামত লিখুন