সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘অনবরত ট্যাগ দিয়ে হ্যারাসমেন্ট করা হচ্ছে’ বলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামী। ৫ সেপ্টেম্বর নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে পোস্ট দিয়ে তিনি বিষয়টি তুলে ধরেন।
শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামী লিখেছেন, ‘সারাদিন বাসা সিফটিং নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। একটা বাসা পরিবর্তন করে আরেকটা বাসা গুছিয়ে ওঠা কী পরিমাণ কষ্টের কাজ, তা আর নতুন করে বলার দরকার নেই। ক্লান্ত হয়ে ঘুমাতে যাবো, কোন দুঃখে আমি একটু ফেসবুকে ঢুকলাম... এখানে চলছে আরেক কাণ্ড!
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র, তাদের মধ্যে একজন আবার শিবির সমর্থক অথবা শিবির করে, এরা ক্লাসের মেয়েদের নিয়ে অনেক আজেবাজে কথা লিখেছে। সাথে এই হ্যারাসমেন্টের লিস্টে আমিও আছি। আমি ফেসবুকে ঢুকে এই সম্পর্কে অবগত হলাম। একজন ছাত্র থেকে তার/তাদের ডিটেইলস নিলাম, কম্পলেইন করার জন্য। সিদ্ধান্ত নিলাম আমার এন্ড থেকে যা যা করা যায়, to take measures against them, I will. কিন্তু সকালটা হতে দিতে হবে তোহ!
অনবরত আমাকে ট্যাগ দিয়ে হ্যারাসমেন্ট করা হচ্ছে। টিপ্পনী কেটে, কথা শোনানো হচ্ছে। তাও আবার ঢাবির ছেলেরাই। পলিটিকাল রাইভেল যেহেতু, তার ওপর, আমি যেহেতু আগে শিবিরকে ভালো বলেছি। তাই আমাকে এখন আবার নতুন করে নাজেহাল না করলে কি রাত কাটবে?
এরা হয় ডাইরেক্ট হ্যারাস করবে, নয়তো ইন্ডাইরেক্টলি। but all they need is an issue to harass a woman, regardless of who she is. এদের নাকি আমি আবার পড়াই! What a joke! Sometimes I truly feel that I must really badly desperately need this job and this earning, otherwise why continue teaching such people! I so wish I could switch jobs. Maybe someday I will.
মনে মনে কেবল একটাই দোয়া করি আল্লাহর কাছে... আল্লাহ আমাকে ধৈর্য দেন।’

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘অনবরত ট্যাগ দিয়ে হ্যারাসমেন্ট করা হচ্ছে’ বলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামী। ৫ সেপ্টেম্বর নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে পোস্ট দিয়ে তিনি বিষয়টি তুলে ধরেন।
শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামী লিখেছেন, ‘সারাদিন বাসা সিফটিং নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। একটা বাসা পরিবর্তন করে আরেকটা বাসা গুছিয়ে ওঠা কী পরিমাণ কষ্টের কাজ, তা আর নতুন করে বলার দরকার নেই। ক্লান্ত হয়ে ঘুমাতে যাবো, কোন দুঃখে আমি একটু ফেসবুকে ঢুকলাম... এখানে চলছে আরেক কাণ্ড!
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র, তাদের মধ্যে একজন আবার শিবির সমর্থক অথবা শিবির করে, এরা ক্লাসের মেয়েদের নিয়ে অনেক আজেবাজে কথা লিখেছে। সাথে এই হ্যারাসমেন্টের লিস্টে আমিও আছি। আমি ফেসবুকে ঢুকে এই সম্পর্কে অবগত হলাম। একজন ছাত্র থেকে তার/তাদের ডিটেইলস নিলাম, কম্পলেইন করার জন্য। সিদ্ধান্ত নিলাম আমার এন্ড থেকে যা যা করা যায়, to take measures against them, I will. কিন্তু সকালটা হতে দিতে হবে তোহ!
অনবরত আমাকে ট্যাগ দিয়ে হ্যারাসমেন্ট করা হচ্ছে। টিপ্পনী কেটে, কথা শোনানো হচ্ছে। তাও আবার ঢাবির ছেলেরাই। পলিটিকাল রাইভেল যেহেতু, তার ওপর, আমি যেহেতু আগে শিবিরকে ভালো বলেছি। তাই আমাকে এখন আবার নতুন করে নাজেহাল না করলে কি রাত কাটবে?
এরা হয় ডাইরেক্ট হ্যারাস করবে, নয়তো ইন্ডাইরেক্টলি। but all they need is an issue to harass a woman, regardless of who she is. এদের নাকি আমি আবার পড়াই! What a joke! Sometimes I truly feel that I must really badly desperately need this job and this earning, otherwise why continue teaching such people! I so wish I could switch jobs. Maybe someday I will.
মনে মনে কেবল একটাই দোয়া করি আল্লাহর কাছে... আল্লাহ আমাকে ধৈর্য দেন।’

আপনার মতামত লিখুন