নাটোরে যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে সাড়ে চার কেজি গাঁজাসহ মো. হাবিবুর রহমান (৪৭) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে নাটোর সদর থানার হাগুরিয়া এলাকায় বগুড়া-নাটোর মহাসড়কে ‘রাজদূত’ পরিবহনের একটি বাসে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় মাদক বহনে ব্যবহৃত একটি বিশেষ কাঠের বক্স জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তার হাবিবুর রহমান লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার গেন্দুকুড়ী গ্রামের মো. মোমেন আলীর ছেলে। এ ঘটনায় জড়িত নাটোরের লালপুর উপজেলার মো. ফিরোজ খান (৩৫) নামে আরও এক আসামি কৌশলে পালিয়ে যান।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রংপুর থেকে পাবনাগামী ‘রাজদূত’ পরিবহনের একটি বাস নাটোরের হাগুরিয়া এলাকার এফএনএ ফিলিং স্টেশনের সামনে পৌঁছালে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় বাসের পেছনের সিটে বসা হাবিবুর রহমানের ডান হাতে থাকা এবং পায়ের মাঝে রাখা কাঠের বক্সে তল্লাশি চালিয়ে ৪ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক রীফা রাওনাক নীতু বলেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকের একটি বড় চালান পরিবহনের খবর পেয়ে আমরা মহাসড়কে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করি। যাত্রীবেশে অভিনব কায়দায় কাঠের বক্সে গাঁজা বহন করা হচ্ছিল। আমাদের চৌকস টিম হাতেনাতে আসামিকে গ্রেপ্তার ও আলামত জব্দ করতে সক্ষম হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক মো. আসাদুর রহমান বাদী হয়ে নাটোর সদর থানায় একটি মামলা করেছেন। গ্রেপ্তার হাবিবুর রহমানকে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) আদালতে পাঠানো হবে। পলাতক আসামি ফিরোজ খানকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নাটোরে যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে সাড়ে চার কেজি গাঁজাসহ মো. হাবিবুর রহমান (৪৭) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে নাটোর সদর থানার হাগুরিয়া এলাকায় বগুড়া-নাটোর মহাসড়কে ‘রাজদূত’ পরিবহনের একটি বাসে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় মাদক বহনে ব্যবহৃত একটি বিশেষ কাঠের বক্স জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তার হাবিবুর রহমান লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার গেন্দুকুড়ী গ্রামের মো. মোমেন আলীর ছেলে। এ ঘটনায় জড়িত নাটোরের লালপুর উপজেলার মো. ফিরোজ খান (৩৫) নামে আরও এক আসামি কৌশলে পালিয়ে যান।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রংপুর থেকে পাবনাগামী ‘রাজদূত’ পরিবহনের একটি বাস নাটোরের হাগুরিয়া এলাকার এফএনএ ফিলিং স্টেশনের সামনে পৌঁছালে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় বাসের পেছনের সিটে বসা হাবিবুর রহমানের ডান হাতে থাকা এবং পায়ের মাঝে রাখা কাঠের বক্সে তল্লাশি চালিয়ে ৪ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক রীফা রাওনাক নীতু বলেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকের একটি বড় চালান পরিবহনের খবর পেয়ে আমরা মহাসড়কে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করি। যাত্রীবেশে অভিনব কায়দায় কাঠের বক্সে গাঁজা বহন করা হচ্ছিল। আমাদের চৌকস টিম হাতেনাতে আসামিকে গ্রেপ্তার ও আলামত জব্দ করতে সক্ষম হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক মো. আসাদুর রহমান বাদী হয়ে নাটোর সদর থানায় একটি মামলা করেছেন। গ্রেপ্তার হাবিবুর রহমানকে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) আদালতে পাঠানো হবে। পলাতক আসামি ফিরোজ খানকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

আপনার মতামত লিখুন