রাঙামাটিতে বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে ফেসবুকে সমালোচনামূলক পোস্ট দেওয়ায় ‘রাঙামাটি সরকারি কলেজ’ শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি আবু আবরার আলভীকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কার করেছে জেলা ছাত্রদল।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাঙামাটি জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. অলি আহাদ ও সাধারণ সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম রনির অনুমোদনে দপ্তর সম্পাদক সানি আহমেদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বহিষ্কৃত আবু আবরার আলভী রাঙামাটি সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি ছিলেন।
জেলা ছাত্রদল সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ আগস্ট নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে একটি পোস্ট দেন আলভী। সেখানে তিনি লেখেন, ‘আগে বিদ্যুতের অনেক সমস্যা ছিল, এখন বিদ্যুৎই আর নেই।’
পোস্টটিকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ হিসেবে দেখিয়ে আলভীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শো-কজ) দেয় জেলা ছাত্রদল। একই সঙ্গে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়।
পরে জেলা ছাত্রদলের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা দেন আলভী। তবে তার ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হয়নি সংগঠনটি। এরপর ১ সেপ্টেম্বর তাকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
জেলা ছাত্রদলের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, রাঙামাটি সরকারি কলেজ শাখার সহসভাপতি আবু আবরার আলভীকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা ছাত্রদলের সিদ্ধান্ত মোতাবেক সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো।’
তবে নিজের ফেসবুক পোস্টের পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন আলভী। তিনি বলেন, জনদুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরতেই ওই পোস্ট করেছিলেন।
আলভী বলেন, ‘জনদুর্ভোগের চিত্রটাই মূলত আমি তুলে ধরতে চেয়েছি। বিদ্যুৎ নিয়ে দেশের বিভিন্ন ইউনিটের ছাত্রদল নেতারা পোস্ট করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় আমি এই পোস্ট করি। সাধারণ শিক্ষার্থী ও জনমানুষের দুর্ভোগে আমরা যে দুঃখিত, সেটাই বোঝাতে পোস্টটি করেছি। এর বাইরে আমার কোনো উদ্দেশ্য ছিল না।’
তিনি জানান, শোকজের জবাবও তিনি জেলা ছাত্রদল নেতাদের কাছে দিয়েছেন। তবে তাকে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে ক্ষমা চাইতে বলা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তিনি তা করেননি।
আলভী বলেন, ‘তারা আমাকে ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ফেসবুকে এই পোস্টের জন্য ক্ষমা চেয়ে আরেকটি পোস্ট করতে বলেছিলেন। এতে ছাত্রদল সম্পর্কে মানুষের খারাপ ধারণা তৈরি হতে পারে। তাই তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষমা চেয়ে পোস্ট না করে শোকজের ব্যাখ্যা প্রদানের চিঠিটি ফেসবুকে পোস্ট করি। সময় নিয়ে ক্ষমা চেয়ে পোস্ট করার পরিকল্পনা ছিল। এর মধ্যেই আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।’

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাঙামাটিতে বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে ফেসবুকে সমালোচনামূলক পোস্ট দেওয়ায় ‘রাঙামাটি সরকারি কলেজ’ শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি আবু আবরার আলভীকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কার করেছে জেলা ছাত্রদল।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাঙামাটি জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. অলি আহাদ ও সাধারণ সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম রনির অনুমোদনে দপ্তর সম্পাদক সানি আহমেদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বহিষ্কৃত আবু আবরার আলভী রাঙামাটি সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি ছিলেন।
জেলা ছাত্রদল সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ আগস্ট নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে একটি পোস্ট দেন আলভী। সেখানে তিনি লেখেন, ‘আগে বিদ্যুতের অনেক সমস্যা ছিল, এখন বিদ্যুৎই আর নেই।’
পোস্টটিকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ হিসেবে দেখিয়ে আলভীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শো-কজ) দেয় জেলা ছাত্রদল। একই সঙ্গে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়।
পরে জেলা ছাত্রদলের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা দেন আলভী। তবে তার ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হয়নি সংগঠনটি। এরপর ১ সেপ্টেম্বর তাকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
জেলা ছাত্রদলের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, রাঙামাটি সরকারি কলেজ শাখার সহসভাপতি আবু আবরার আলভীকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা ছাত্রদলের সিদ্ধান্ত মোতাবেক সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো।’
তবে নিজের ফেসবুক পোস্টের পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন আলভী। তিনি বলেন, জনদুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরতেই ওই পোস্ট করেছিলেন।
আলভী বলেন, ‘জনদুর্ভোগের চিত্রটাই মূলত আমি তুলে ধরতে চেয়েছি। বিদ্যুৎ নিয়ে দেশের বিভিন্ন ইউনিটের ছাত্রদল নেতারা পোস্ট করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় আমি এই পোস্ট করি। সাধারণ শিক্ষার্থী ও জনমানুষের দুর্ভোগে আমরা যে দুঃখিত, সেটাই বোঝাতে পোস্টটি করেছি। এর বাইরে আমার কোনো উদ্দেশ্য ছিল না।’
তিনি জানান, শোকজের জবাবও তিনি জেলা ছাত্রদল নেতাদের কাছে দিয়েছেন। তবে তাকে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে ক্ষমা চাইতে বলা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তিনি তা করেননি।
আলভী বলেন, ‘তারা আমাকে ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ফেসবুকে এই পোস্টের জন্য ক্ষমা চেয়ে আরেকটি পোস্ট করতে বলেছিলেন। এতে ছাত্রদল সম্পর্কে মানুষের খারাপ ধারণা তৈরি হতে পারে। তাই তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষমা চেয়ে পোস্ট না করে শোকজের ব্যাখ্যা প্রদানের চিঠিটি ফেসবুকে পোস্ট করি। সময় নিয়ে ক্ষমা চেয়ে পোস্ট করার পরিকল্পনা ছিল। এর মধ্যেই আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন