চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় জাম গাছ থেকে জাম পোরানো ও সীমানা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গৃহবধূকে লাঞ্ছিত এবং তার স্বামীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও কামড়ে রক্তাক্ত জখম করার ঘটনায় অভিযুক্ত প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
আজ (১৯ সেপ্টেম্বর) শনিবার রাত ৮ ঘটিকার সময়ে উপজেলার, চরম্বা ইউনিয়ন এর বায়ার পাড়া স্টেশনের কসমেটিক দোকান হতে আটক করা হয়।
গত ৭ সেপ্টেম্বর পদুয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের আধার মানিক আলী বিবির পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে আহত ব্যক্তির স্ত্রী শারমিন আক্তার বাদী হয়ে লোহাগাড়া থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বিবাদী মো. মোস্তাক আহমেদ (৫২) দীর্ঘদিন ধরে বাদী ও তার পরিবারের জায়গা-জমি দখল এবং বিরোধ সৃষ্টি করে আসছিলেন। ঘটনার দিন সকালে বাদীর দশ বছরের মেয়ে আম গাছের নিচে গেলে আসামি তাকে গালিগালাজ করে মারধর করতে উদ্যত হয়। শিশুটি ভয়ে বাড়িতে ঢুকে পড়লে গৃহবধূ শারমিন আক্তার ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে গালাগাল করা হয় এবং একপর্যায়ে তিনি সংলগ্ন পুকুরে লাফ দিয়ে আত্মরক্ষা করেন।
পরবর্তীতে বাদীর স্বামী মো. মোস্তফা ইদ্রিছ মিয়া (৫৭) আসামিকে গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে বিবাদী পূর্বপরিকল্পিতভাবে ধারালো ছুরি দিয়ে তার মাথায় কোপ মারে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। এরপর আসামি ভুক্তভোগীর চোখে আঙুল ঢুকিয়ে চোখ উপড়ে ফেলার চেষ্টা চালায় এবং পেটে ও হাতে কামড়ে রক্তাক্ত জখম করে।
চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে প্রেরণ করেন। চমেক হাসপাতালে দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে ভুক্তভোগী বাড়ি ফেরেন। ঘটনার পর পরিবারের লোকজনের পরামর্শে লোহাগাড়া থানায় অভিযোগ পেশ করা হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করে।
ভুক্তভোগী পরিবার অভিযুক্ত আসামির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের জঘন্য ও সহিংস কাজ করার সাহস না পায়। লোহাগাড়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, আসামির বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় জাম গাছ থেকে জাম পোরানো ও সীমানা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গৃহবধূকে লাঞ্ছিত এবং তার স্বামীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও কামড়ে রক্তাক্ত জখম করার ঘটনায় অভিযুক্ত প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
আজ (১৯ সেপ্টেম্বর) শনিবার রাত ৮ ঘটিকার সময়ে উপজেলার, চরম্বা ইউনিয়ন এর বায়ার পাড়া স্টেশনের কসমেটিক দোকান হতে আটক করা হয়।
গত ৭ সেপ্টেম্বর পদুয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের আধার মানিক আলী বিবির পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে আহত ব্যক্তির স্ত্রী শারমিন আক্তার বাদী হয়ে লোহাগাড়া থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বিবাদী মো. মোস্তাক আহমেদ (৫২) দীর্ঘদিন ধরে বাদী ও তার পরিবারের জায়গা-জমি দখল এবং বিরোধ সৃষ্টি করে আসছিলেন। ঘটনার দিন সকালে বাদীর দশ বছরের মেয়ে আম গাছের নিচে গেলে আসামি তাকে গালিগালাজ করে মারধর করতে উদ্যত হয়। শিশুটি ভয়ে বাড়িতে ঢুকে পড়লে গৃহবধূ শারমিন আক্তার ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে গালাগাল করা হয় এবং একপর্যায়ে তিনি সংলগ্ন পুকুরে লাফ দিয়ে আত্মরক্ষা করেন।
পরবর্তীতে বাদীর স্বামী মো. মোস্তফা ইদ্রিছ মিয়া (৫৭) আসামিকে গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে বিবাদী পূর্বপরিকল্পিতভাবে ধারালো ছুরি দিয়ে তার মাথায় কোপ মারে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। এরপর আসামি ভুক্তভোগীর চোখে আঙুল ঢুকিয়ে চোখ উপড়ে ফেলার চেষ্টা চালায় এবং পেটে ও হাতে কামড়ে রক্তাক্ত জখম করে।
চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে প্রেরণ করেন। চমেক হাসপাতালে দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে ভুক্তভোগী বাড়ি ফেরেন। ঘটনার পর পরিবারের লোকজনের পরামর্শে লোহাগাড়া থানায় অভিযোগ পেশ করা হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করে।
ভুক্তভোগী পরিবার অভিযুক্ত আসামির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের জঘন্য ও সহিংস কাজ করার সাহস না পায়। লোহাগাড়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, আসামির বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন