থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বারের বিল পরিশোধ না করে পালানোর চেষ্টার অভিযোগে এক তরুণীর মাথার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পুরো ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা।
Viral Press-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাংককের পিঙ্কলাও এলাকার বিভিন্ন ক্লাব ও রেস্তোরাঁয় বিল না দিয়ে চলে যাওয়ার অভিযোগে ওই তরুণী আগে থেকেই পরিচিত ছিলেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৫ আগস্ট তিনি ভুয়া পরিচয়পত্র ব্যবহার করে একটি জনপ্রিয় বারে প্রবেশ করেন। সেখানে তার বিল দাঁড়ায় প্রায় ৬০ হাজার থাই বাত, যা প্রায় ১ হাজার ৮১২ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ। পরে বিল পরিশোধ না করেই তিনি বার থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, একজন বারকর্মী বৈদ্যুতিক রেজার দিয়ে ওই তরুণীর কাঁধ পর্যন্ত লম্বা চুল কেটে দিচ্ছেন। জানা গেছে, কেটে নেওয়া চুল দান করার কথা বলা হয়েছিল।
তবে এ ধরনের শাস্তি নিয়ে থাইল্যান্ডে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। শিশু নির্যাতনসহ বিভিন্ন সামাজিক ইস্যুতে কাজ করা বেসরকারি সংস্থা ‘বি ওয়ান ফাউন্ডেশন’-এর প্রতিষ্ঠাতা চালিদা ‘টন অর’ ফালামাত মনে করেন, বার কর্তৃপক্ষ সীমা অতিক্রম করেছে।
তিনি জানান, বার কর্তৃপক্ষ পরে তার সঙ্গে যোগাযোগ করে ক্ষমা চেয়েছে এবং স্বীকার করেছে যে ব্যবস্থাপক রাগ ও আবেগের বশে এমন আচরণ করেছেন। একই সঙ্গে তরুণীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ক্ষতিপূরণ নিয়ে আলোচনা করার কথাও জানিয়েছে তারা।
চালিদার ভাষ্য অনুযায়ী, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি বোঝা গেলেও কাউকে জোর করে চুল কাটানো আইনসঙ্গত নয়। চাপ প্রয়োগ করে করা কোনো চুক্তি বৈধ নয় এবং কারও ইচ্ছার বিরুদ্ধে মাথার চুল কেটে দেওয়া হামলা, জবরদস্তি ও বেআইনি আটকের মতো অভিযোগের আওতায় পড়তে পারে।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বারের বিল পরিশোধ না করে পালানোর চেষ্টার অভিযোগে এক তরুণীর মাথার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পুরো ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা।
Viral Press-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাংককের পিঙ্কলাও এলাকার বিভিন্ন ক্লাব ও রেস্তোরাঁয় বিল না দিয়ে চলে যাওয়ার অভিযোগে ওই তরুণী আগে থেকেই পরিচিত ছিলেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৫ আগস্ট তিনি ভুয়া পরিচয়পত্র ব্যবহার করে একটি জনপ্রিয় বারে প্রবেশ করেন। সেখানে তার বিল দাঁড়ায় প্রায় ৬০ হাজার থাই বাত, যা প্রায় ১ হাজার ৮১২ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ। পরে বিল পরিশোধ না করেই তিনি বার থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, একজন বারকর্মী বৈদ্যুতিক রেজার দিয়ে ওই তরুণীর কাঁধ পর্যন্ত লম্বা চুল কেটে দিচ্ছেন। জানা গেছে, কেটে নেওয়া চুল দান করার কথা বলা হয়েছিল।
তবে এ ধরনের শাস্তি নিয়ে থাইল্যান্ডে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। শিশু নির্যাতনসহ বিভিন্ন সামাজিক ইস্যুতে কাজ করা বেসরকারি সংস্থা ‘বি ওয়ান ফাউন্ডেশন’-এর প্রতিষ্ঠাতা চালিদা ‘টন অর’ ফালামাত মনে করেন, বার কর্তৃপক্ষ সীমা অতিক্রম করেছে।
তিনি জানান, বার কর্তৃপক্ষ পরে তার সঙ্গে যোগাযোগ করে ক্ষমা চেয়েছে এবং স্বীকার করেছে যে ব্যবস্থাপক রাগ ও আবেগের বশে এমন আচরণ করেছেন। একই সঙ্গে তরুণীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ক্ষতিপূরণ নিয়ে আলোচনা করার কথাও জানিয়েছে তারা।
চালিদার ভাষ্য অনুযায়ী, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি বোঝা গেলেও কাউকে জোর করে চুল কাটানো আইনসঙ্গত নয়। চাপ প্রয়োগ করে করা কোনো চুক্তি বৈধ নয় এবং কারও ইচ্ছার বিরুদ্ধে মাথার চুল কেটে দেওয়া হামলা, জবরদস্তি ও বেআইনি আটকের মতো অভিযোগের আওতায় পড়তে পারে।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন