চিঠি দিবস উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ‘বই প্রবাহ’ মার্কেটিং বিভাগের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছে ভিন্নধর্মী এক কর্মসূচি। ক্যাম্পাসের কাউকে চিঠি লিখে তা প্রাপকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ করে দিতে এ আয়োজন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সাজিদ ভবনের নিচতলায় দিনব্যাপী এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, চিঠি লেখার মাধ্যমে ক্যাম্পাসের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সবার মধ্যে ব্যক্তিগত অনুভূতি, ভালোবাসা, শুভেচ্ছা ও নানা কথা প্রকাশের সুযোগ তৈরি করাই এ আয়োজনের উদ্দেশ্য। চিঠিতে প্রেরক ও প্রাপকের নাম, ব্যাচ ও বিভাগ উল্লেখ করে তা নির্ধারিত স্থানে জমা দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
আয়োজনের অংশ হিসেবে চিঠি লেখা ও প্রদর্শনের ব্যবস্থাও রাখা হয়। এতে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উদ্দেশে চিঠি লেখার পাশাপাশি নিজেদের অনুভূতি ও ভাবনা প্রকাশের সুযোগ পাচ্ছেন অংশগ্রহণকারীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আকাশ আহমেদ রুপম বলেন, “চিঠি লেখার মতো সুন্দর ও পুরোনো একটি মাধ্যমকে ক্যাম্পাসে এভাবে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগটি সত্যিই আনন্দের। ব্যস্ততার সময়ে হাতে লেখা চিঠির মাধ্যমে নিজের অনুভূতি প্রকাশের সুযোগটি আমাদের জন্য ভিন্নরকম অভিজ্ঞতা তৈরি করেছে।”
এ বিষয়ে বই প্রবাহ এর সভাপতি মুনায়েম শারিয়ার চৌধুরী বলেন "আমরা মার্কেটিং বিভাগ থেকে ‘বই প্রবাহ’ নামের একটি সংগঠন পরিচালনা করছি। এই সংগঠনের মাধ্যমে আমরা নিজেদের মধ্যে বই আদান-প্রদান করে থাকি এবং সাহিত্য চর্চা করি। সেই সংগঠন থেকেই মূলত আমার আজকের এই আয়োজন ‘চিঠি উৎসব’ "।
চিঠি হারিয়ে যাওয়া এক ঐতিহ্যে পরিণত হচ্ছে দিন দিন। অথচ একসময় এই চিঠির মধ্য দিয়েই আমাদের মনের ভাব ও সাহিত্য ফুটে উঠতো। সেই ঐতিহ্যকে ধরে রাখার জন্যই আমাদের আজকের এই আয়োজন। মার্কেটিং বিভাগের ‘বই প্রবাহ’ থেকে আমরা এটি আয়োজন করেছি।
তিনি আরো বলেন, আমাদের প্রত্যাশার চেয়েও অনেক ভালো সাড়া পাচ্ছি সবার কাছ থেকে। এই এআই (AI) এবং ডিজিটাল মেসেঞ্জার-হোয়াটসঅ্যাপের যুগেও আমার মনে হয়, হাতে লেখা চিঠি এবং খামে ভরে পাঠানো চিঠির কদর এখনো কোনো না কোনো জায়গায় রয়ে গেছে।আমরা মনে করি, এই অভ্যাসটি আমাদের ধরে রাখা উচিত। চিঠির মধ্যে আমরা নিজেদের খুঁজে পাই; একটি লিখিত চিঠির মাধ্যমে নিজের কিছু অংশ অন্য কারও কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়। সেখানে আমাদের আঁকাবাঁকা হাতের লেখা এবং কাগজের ওপর হাতের স্পর্শ থাকে যা আসলে কোনো দিনও কোনো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম দখল করতে পারবে না।

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চিঠি দিবস উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ‘বই প্রবাহ’ মার্কেটিং বিভাগের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছে ভিন্নধর্মী এক কর্মসূচি। ক্যাম্পাসের কাউকে চিঠি লিখে তা প্রাপকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ করে দিতে এ আয়োজন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সাজিদ ভবনের নিচতলায় দিনব্যাপী এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, চিঠি লেখার মাধ্যমে ক্যাম্পাসের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সবার মধ্যে ব্যক্তিগত অনুভূতি, ভালোবাসা, শুভেচ্ছা ও নানা কথা প্রকাশের সুযোগ তৈরি করাই এ আয়োজনের উদ্দেশ্য। চিঠিতে প্রেরক ও প্রাপকের নাম, ব্যাচ ও বিভাগ উল্লেখ করে তা নির্ধারিত স্থানে জমা দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
আয়োজনের অংশ হিসেবে চিঠি লেখা ও প্রদর্শনের ব্যবস্থাও রাখা হয়। এতে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উদ্দেশে চিঠি লেখার পাশাপাশি নিজেদের অনুভূতি ও ভাবনা প্রকাশের সুযোগ পাচ্ছেন অংশগ্রহণকারীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আকাশ আহমেদ রুপম বলেন, “চিঠি লেখার মতো সুন্দর ও পুরোনো একটি মাধ্যমকে ক্যাম্পাসে এভাবে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগটি সত্যিই আনন্দের। ব্যস্ততার সময়ে হাতে লেখা চিঠির মাধ্যমে নিজের অনুভূতি প্রকাশের সুযোগটি আমাদের জন্য ভিন্নরকম অভিজ্ঞতা তৈরি করেছে।”
এ বিষয়ে বই প্রবাহ এর সভাপতি মুনায়েম শারিয়ার চৌধুরী বলেন "আমরা মার্কেটিং বিভাগ থেকে ‘বই প্রবাহ’ নামের একটি সংগঠন পরিচালনা করছি। এই সংগঠনের মাধ্যমে আমরা নিজেদের মধ্যে বই আদান-প্রদান করে থাকি এবং সাহিত্য চর্চা করি। সেই সংগঠন থেকেই মূলত আমার আজকের এই আয়োজন ‘চিঠি উৎসব’ "।
চিঠি হারিয়ে যাওয়া এক ঐতিহ্যে পরিণত হচ্ছে দিন দিন। অথচ একসময় এই চিঠির মধ্য দিয়েই আমাদের মনের ভাব ও সাহিত্য ফুটে উঠতো। সেই ঐতিহ্যকে ধরে রাখার জন্যই আমাদের আজকের এই আয়োজন। মার্কেটিং বিভাগের ‘বই প্রবাহ’ থেকে আমরা এটি আয়োজন করেছি।
তিনি আরো বলেন, আমাদের প্রত্যাশার চেয়েও অনেক ভালো সাড়া পাচ্ছি সবার কাছ থেকে। এই এআই (AI) এবং ডিজিটাল মেসেঞ্জার-হোয়াটসঅ্যাপের যুগেও আমার মনে হয়, হাতে লেখা চিঠি এবং খামে ভরে পাঠানো চিঠির কদর এখনো কোনো না কোনো জায়গায় রয়ে গেছে।আমরা মনে করি, এই অভ্যাসটি আমাদের ধরে রাখা উচিত। চিঠির মধ্যে আমরা নিজেদের খুঁজে পাই; একটি লিখিত চিঠির মাধ্যমে নিজের কিছু অংশ অন্য কারও কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়। সেখানে আমাদের আঁকাবাঁকা হাতের লেখা এবং কাগজের ওপর হাতের স্পর্শ থাকে যা আসলে কোনো দিনও কোনো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম দখল করতে পারবে না।

আপনার মতামত লিখুন