জাতীয় সাপ্তাহিক সময়ের প্রয়াস

গাইবান্ধায় অনুষ্ঠিত হলো ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির ক্ষুদে পাঠক আড্ডা



গাইবান্ধায় অনুষ্ঠিত হলো ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির ক্ষুদে পাঠক আড্ডা

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র, দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি গাইবান্ধা জেলা ইউনিটের উদ্যোগে জেলার 'পরিবর্তন পাঠাগার ও সাহিত্য পরিষদ'এ অনুষ্ঠিত হলো পাঠক আড্ডা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। 


গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন, গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালিত এবং বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মাধ্যমে বাস্তবায়িত দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি গাইবান্ধা জেলার আয়োজনে (১১ই সেপ্টেম্বর) শুক্রবার বিকাল ৫টায় গ্রণ্থাগার মোড়ে পরিবর্তন পাঠাগার ও সাহিত্য পরিষদ'র সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হলো ব্যতিক্রমি ক্ষুদে পাঠক আড্ডা ও কবিতা আবৃত্তির অনুষ্ঠান। 


 পাঠক আড্ডার শুভেচ্ছা বক্তব্যে পরিবর্তন পাঠাগার ও সাহিত্য পরিষদের পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোঃ নাবিল আহমেদ বলেন: বই পড়ার উদ্যোগ নিজ পরিবার বা সমাজ থেকেই শুরু করতে হবে। তিনি বলেন, বই নিয়ে অনেক বড়বড় সভা সেমিনার হয় যেগুলোতে ছোট কোমলমতি বাচ্চারা যেতে পারেনা নানা সীমাবদ্ধতার কারণে, সেজন্যই বই নিয়ে আলোচনা বা বইয়ের আসরগুলো গ্রামগঞ্জে, উন্মুক্ত জায়গায় করা দরকার যেখানে সকলে অবাধে অংশগ্রহণ করতে পারে।


পাঠক আড্ডায় উপস্থিত থেকে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি গাইবান্ধা জেলার লাইব্রেরি ইনচার্জ মোঃ হাসান আলী তথ্য দিয়ে বলেন: দেশব্যাপী ৬৪টি জেলায় ৭৬টি ইউনিট(ছোট বড় গাড়ি মিলে মোট ৭৬টি) গাড়ি দেশ্যব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির এই কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আর্থিক সহায়তায়। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীতে একাধিক এবং প্রতিটি জেলায় ১টি করে গাড়ি লাইব্রেরির এই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে সপ্তাহে ৬দিন(সাপ্তাহিক বন্ধ শনিবার ব্যতীত)। প্রতিটি জেলায় সপ্তাহে প্রায় ৪০-৪৪টি স্পষ্টে লাইব্রেরির এই বই লেনদেন কার্যক্রম পাঠকের সাথে নিরবচ্ছিন্ন ভাবে অব্যাহত রেখেছে জেলা ইউনিটগুলো। 


বই লেনদেন এর পাশাপাশি স্পট ভিত্তিক বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক(আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন, নাচ, গান, কুইজ, রচনা প্রতিযোগিতা সহ বৃক্ষরোপণ) কার্যক্রম এবং সরকার ঘোষিত জাতীয় দিবসগুলোও যথাযোগ্য মর্যাদায় পরিচালনা করে আসছে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির জেলা ইউনিটগুলো।


পরিবর্তন পাঠাগারে আয়োজিত ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির এই পাঠক আড্ডায় আরো উপস্থিত ছিলেন রিদয় মিয়া, মুনজিলা আক্তার, মোছাঃ নাসরিন খাতুন সহ কয়েকজন অভিভাবক ও পাঠাগারের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ। একাডেমিক বইয়ের পাশাপাশি বহুমাত্রিক বইগুলো পাঠকের মেধা ও মননশীলতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে বলে উপস্থিত সকলেই মতামত দেন। পাঠক আড্ডা শেষে কবিতা আবৃত্তির প্রতিযোগিতা হয় এবং উপস্থিত বিচারকের মাধ্যমে মোট অংশগ্রহণ কারীদের মধ্য থেকে ০৩ জনকে যথাক্রমে বিজয়ী করে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি গাইবান্ধা ইউনিটের পক্ষ থেকে বই পুরষ্কার দেয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন

জাতীয় সাপ্তাহিক সময়ের প্রয়াস

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


গাইবান্ধায় অনুষ্ঠিত হলো ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির ক্ষুদে পাঠক আড্ডা

প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র, দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি গাইবান্ধা জেলা ইউনিটের উদ্যোগে জেলার 'পরিবর্তন পাঠাগার ও সাহিত্য পরিষদ'এ অনুষ্ঠিত হলো পাঠক আড্ডা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। 


গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন, গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালিত এবং বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মাধ্যমে বাস্তবায়িত দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি গাইবান্ধা জেলার আয়োজনে (১১ই সেপ্টেম্বর) শুক্রবার বিকাল ৫টায় গ্রণ্থাগার মোড়ে পরিবর্তন পাঠাগার ও সাহিত্য পরিষদ'র সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হলো ব্যতিক্রমি ক্ষুদে পাঠক আড্ডা ও কবিতা আবৃত্তির অনুষ্ঠান। 


 পাঠক আড্ডার শুভেচ্ছা বক্তব্যে পরিবর্তন পাঠাগার ও সাহিত্য পরিষদের পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোঃ নাবিল আহমেদ বলেন: বই পড়ার উদ্যোগ নিজ পরিবার বা সমাজ থেকেই শুরু করতে হবে। তিনি বলেন, বই নিয়ে অনেক বড়বড় সভা সেমিনার হয় যেগুলোতে ছোট কোমলমতি বাচ্চারা যেতে পারেনা নানা সীমাবদ্ধতার কারণে, সেজন্যই বই নিয়ে আলোচনা বা বইয়ের আসরগুলো গ্রামগঞ্জে, উন্মুক্ত জায়গায় করা দরকার যেখানে সকলে অবাধে অংশগ্রহণ করতে পারে।


পাঠক আড্ডায় উপস্থিত থেকে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি গাইবান্ধা জেলার লাইব্রেরি ইনচার্জ মোঃ হাসান আলী তথ্য দিয়ে বলেন: দেশব্যাপী ৬৪টি জেলায় ৭৬টি ইউনিট(ছোট বড় গাড়ি মিলে মোট ৭৬টি) গাড়ি দেশ্যব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির এই কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আর্থিক সহায়তায়। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীতে একাধিক এবং প্রতিটি জেলায় ১টি করে গাড়ি লাইব্রেরির এই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে সপ্তাহে ৬দিন(সাপ্তাহিক বন্ধ শনিবার ব্যতীত)। প্রতিটি জেলায় সপ্তাহে প্রায় ৪০-৪৪টি স্পষ্টে লাইব্রেরির এই বই লেনদেন কার্যক্রম পাঠকের সাথে নিরবচ্ছিন্ন ভাবে অব্যাহত রেখেছে জেলা ইউনিটগুলো। 


বই লেনদেন এর পাশাপাশি স্পট ভিত্তিক বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক(আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন, নাচ, গান, কুইজ, রচনা প্রতিযোগিতা সহ বৃক্ষরোপণ) কার্যক্রম এবং সরকার ঘোষিত জাতীয় দিবসগুলোও যথাযোগ্য মর্যাদায় পরিচালনা করে আসছে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির জেলা ইউনিটগুলো।


পরিবর্তন পাঠাগারে আয়োজিত ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির এই পাঠক আড্ডায় আরো উপস্থিত ছিলেন রিদয় মিয়া, মুনজিলা আক্তার, মোছাঃ নাসরিন খাতুন সহ কয়েকজন অভিভাবক ও পাঠাগারের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ। একাডেমিক বইয়ের পাশাপাশি বহুমাত্রিক বইগুলো পাঠকের মেধা ও মননশীলতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে বলে উপস্থিত সকলেই মতামত দেন। পাঠক আড্ডা শেষে কবিতা আবৃত্তির প্রতিযোগিতা হয় এবং উপস্থিত বিচারকের মাধ্যমে মোট অংশগ্রহণ কারীদের মধ্য থেকে ০৩ জনকে যথাক্রমে বিজয়ী করে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি গাইবান্ধা ইউনিটের পক্ষ থেকে বই পুরষ্কার দেয়া হয়।


জাতীয় সাপ্তাহিক সময়ের প্রয়াস

সম্পাদক ও প্রকাশক- মুহাম্মদ হোছাইন চৌধুরী
কপিরাইট © ২০২৬ জাতীয় সাপ্তাহিক সময়ের প্রয়াস । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত